মেইন ম্যেনু

রাউজানে মোবাইল কোর্টের নামে থানা পুলিশের হয়রানির অভিযোগ

রাউজানে মোবাইল কোর্টের নামে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানায়, গত ১০ আগষ্ট সোমবার বিকাল ৫ টায় উপজেলার গহিরা উইনিয়নের দলইনগরে মোবাইল কোর্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহন থেকে ডকুমেন্ট, লাইসেন্স দেখার কথা বলে হয়রানির করছে।

তারা আরো বলেন, সিএনজি, মোটর সাইকেল এর ডকুমেন্ট ও লাইসেন্স দেখাতে বলে। পরে গাড়ীর ডকুমেন্ট, লাইসেন্স ঠিক থাকলে ছাড়া অন্যতায় মামলা না দিয়ে তিন-পাঁচ’শত টাকার বিনিময় অথবা সরকারি দলের বড় ভাইদের ফোনকল এএসআই কামাল এর কানে দিলে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সিএনজি চালক নুরুল মোস্তাফা বলে, গহিরা চৌমুহনী হয়ে অদুদ চৌধুরী সড়ক দিয়ে আতুন্নিরঘাটা, নতুনহাট, নদিমপুর, বাষডুয়াতল, তকিরহাট, ফটিকছড়ির আজাদী বাজার পর্যন্ত যান চলাচল মোবাইল কোর্ট বসানোর পর থেকে বন্ধ থাকায় দূর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

সাধারণ যাত্রী জসিম উদ্দীন বলেন, পথে হঠাৎ সিএনজি অটোরিক্সাকে থামিয়ে যাত্রী নামিয়ে দিচ্ছে পুলিশ। তাতে দুর্ভোগের মধ্যে পড়ে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। ঐ স্থান থেকে যাত্রীরা প্রায় দেড় মাইল পথ পায়ে হেটে যেতে হচ্ছে, নেই কোন যানবাহন। স্থানীয় সংবাদকর্মী সংবাদ সংগ্রহ ও ছবি তুলতে চাইলে এএসআই কামালের নির্দেশে এক কনেষ্টেবল সংবাদকর্মীর হাত থেকে ক্যামরা ছিনিয়ে নেয়।

সংবাদকর্মীর ও এএসআই কামাল এর সাথে কথা কাটাকাটি’র এক পর্যায়ে এএসআই বলে আমার অনুমতি ছাড়া ছবি তুলছেন কেন বলে বিভিন্ন অশ্লীল কথা বলতে থাকে। পরে রাউজান প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তথা সিনিয়র সাংবাদিক মীর আসলাম’কে ফোন দিলে ঐ সংবাদকর্মীর সাথে এএসআই নমনিয়তা দেখায়।

পরে বক্তব্য নিতে চাইলে, এএসআই বলে আমি বক্তব্য দেবনা ওসি’র কাছ থেকে বক্তব্য নিয়েন। এএসআই কামাল এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্টটি পরিচালীত হয়।

পরে এএসআই বক্তব্য দিতে সম্মতি দিয়ে বলেন, আমরা বিকাল ৫ টায় গহিরা ইউনিয়নের দলইনগর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ মোবাইট কোর্ট পরিচালনা করে সিএনজি, মোটর সাইকেল চালকের লাইসেন্স না থাকায় ৩টি মামলা এবং গাড়ীর ডকুমেন্টের জন্য কোন মামলা দেয়নি।