মেইন ম্যেনু

রাজন হত্যার আসামি কামরুল কারাগারে

শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার আসামি কামরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আজ শুক্রবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ারুল হক এ নির্দেশ দেন। এর আগে কোতোয়ালী থানা থেকে বেলা ১১টার দিকে আদালতে হাজির করা হয় কামরুলকে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ঢাকা থেকে আসামি কামরুলকে সিলেটে আনা হয়। এরপর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ কমিশনার কামরুল আহসান বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামি কামরুলকে আদালতে তোলা হচ্ছে। সে হিসাবে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে এই ২৪ ঘণ্টা শেষ হওয়ার কথা।

রাতের প্রেস ব্রিফিংয়ে কমিশনার বলেন, কামরুলকে দেশে ফেরাতে এসএমপির (সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ) প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। এর নেপথ্যে সার্বিক সহযোগিতা করেছে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এসময় তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী যেকোনো আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে উপস্থিত করতে হয়ে। আমরা সেই মোতাবেক করবো।

কামরুলের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি নেয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, এটার কোনো সম্ভাবনা নেই।

তিনি বলেন, এ মামলায় ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়ে গেছে। মামলার চার্জশিট হয়ে গেছে। তাই আইন অনুযায়ী কামরুলের জবানবন্দি নেয়ার সম্ভাবনা নেই।

৮ জুলাই সিলেটে শিশু রাজনকে চোর অপবাদ দিয়ে কামরুলসহ আরও কয়েকজন মিলে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। ওই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ মোবাইল ফোনে ধারণ করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ওই ঘটনার তদন্ত শেষে মোট ১৩ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে জালালাবাদ থানা পুলিশ। এর মধ্যে ১০ জনকে আগেই গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। ঘটনার দুই দিন পর ১০ জুলাই প্রধান আসামি কামরুল জেদ্দায় পালিয়ে যায়। প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেখানে তাকে আটক করে। পরে তাকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে আনা হয়।