মেইন ম্যেনু

রাজন হত্যার ভিডিও ধারণকারী নূর গ্রেপ্তার

সামিউল আলম রাজনকে নির্যাতনের যে ভিডিও দেখে এই শিশুকে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার সারাদেশ, তার ধারণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার রাতে গ্রেপ্তার নুর মিয়া (২০) নির্যাতনকারীদের সহযোগী হয়ে সেদিন ঘটনাস্থলে ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

জালালাবাদ থানার জাঙ্গাইল এলাকা থেকে জনতা ধরে নুর মিয়াকে পুলিশে দেয় বলে ওই থানার ওসি আক্তার হোসেন জানিয়েছেন।

রিকশা ভ্যান চুরির অভিযোগ তুলে গত ৮ জুলাই জালালাবাদের কুমারগাঁওয়ের যে স্থানে রাজনকে বেঁধে পেটানো হয়েছিল, সেখানকার একটি ওয়ার্কশপে কাজ করেন নুর মিয়া।

সৌদি আরবে আটক কামরুল ইসলামের কথায় মোবাইল ফোনে নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করেছিলেন বলে নুর মিয়া প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন বলে জানান ওসি আক্তার হোসেন।

নুর মিয়ার বাবা নিজাম উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, “যদি আমার ছেলে অপরাধী হয়, তবে অবশ্যই যেন তার বিচার হয়।”

১৩ বছর বয়সী রাজনকে পিটিয়ে হত্যার পর তার ভিডিও নির্যাতনকারীরাই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়। ২৮ মিনিটের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবদের ঝড় ওঠে।

সারাদেশে প্রতিবাদের মধ্যে পুলিশ তৎপর হয়, একে একে ধরা পড়তে থাকেন অপরাধীরা।

রাজন হত্যা মামলার আসামি কামরুল বিদেশে চলে যাওয়ার পর সেখানে ধরা পড়েন। তার ভাই মুহিত আলমকে ঘটনার দিনই জনতা ধরে পুলিশে দিয়েছিল।

এই হত্যামামলার আরেক আসামি ময়না চৌকিদার মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে আলী হায়দার এখনও পলাতক।

নির্যাতনে জড়িত থাকার অভিযোগে বুধবার দুপুরে কুমারগাঁওয়ের শেখপাড়া এলাকা থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় দুলাল মিয়া নামে ৩০ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

এছাড়া মুহিতের স্ত্রী লিপি বেগম, শ্যালক ইসমাইল হোসেন আবলুছসহ আরও কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।

চাঞ্চল্যকর এ মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে।