মেইন ম্যেনু

রাজন হত্যা : পরিদর্শক আলমগীর বরখাস্ত

সিলেটে শিশু শেখ মো. সামিউল আলমকে (রাজন) নির্যাতন করে হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) আলমগীর হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সিলেট মেট্রোপলিটন ‍পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রহমত উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

শিশু রাজনের বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও ঘাতকদের বাঁচাতে পুলিশ সহায়তা করেছে— এমন অভিযোগ তদন্তে ১৪ জুলাই সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. রোকন উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটি ২৩ জুলাই রাতে এসএমপি কমিশনার কার্যালয়ে ৪২৪ পাতার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। শিশু রাজন হত্যা-পরবর্তী মামলা নিয়ে পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা ও অসদাচরণের দায়ে ২৪ জুলাই জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেনকে প্রত্যাহার, উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম ও জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

৮ জুলাই সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামের মাইক্রোবাস চালক শেখ আজিজুর রহমানের ছেলে রাজনকে চোর অপবাদ দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে ঘাতকরা। পরে তার লাশ গুম করার চেষ্টাকালে মুহিত আলমকে গ্রেফতার করা হয়।

ওই ঘটনায় জালালাবাদ থানায় প্রথমে পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে রাজনের বাবা শেখ আজিজুর রহমান মামলার বাদী হন।

মাইক্রোবাসে করে রাজনের লাশ ফেলার সময় হাতেনাতে আটক মুহিতকে মামলার প্রধান আসামি করা হয়। এ ছাড়া তার ভাই সৌদি প্রবাসী কামরুল ইসলাম (২৪), তাদের সহযোগী আলী হায়দার ওরফে আলী (৩৪) ও চৌকিদার ময়না মিয়া ওরফে বড় ময়নাকে (৪৫) আসামি করা হয়। তাদের সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পরবর্তী সময়ে এলাকাবাসী, প্রত্যক্ষদর্শী ও আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকিদের গ্রেফতার করা হয়।