মেইন ম্যেনু

রাণীনগরে ভ্যাপসা গরমে অস্থির জনজীবন

কাজী আনিছুর রহমান, রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা: নওগাঁর রাণীনগরে আগুনমুখোর চৈত্র তাপদাহে ও ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। কোথাও যেন স্বস্তির দেখা মিলছেনা। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে দিনমজুর পরিবারগুলো। প্রচন্ড তাপদাহের সাথে পাল্ল¬া দিয়ে ভ্যাপসা গরমের কারনে দিনমজুরেরা কাজ করতে পারছেন না।

সূত্রমতে প্রচন্ড তাপদাহের কারনে প্রতিদিন বেলা এগারোটার পর পরই পুরো রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাসা থেকে বের হচ্ছেন না। ভ্যাপসা গরম থেকে একটু স্বস্তি পেতে দিনভর গ্রামের গাছের তলায় অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের। পাশাপাশি বেড়ে গেছে শরবত ও কোমল পানীয় বিক্রি। সেই সাথে প্রচন্ড গরমে তরমুজ, ঠান্ডা পানি আর ডাবের বিক্রি বেড়ে গেছে। লাচ্ছি জুসের ব্যবসাও বেশ জমজমাট। পথের ধারের এই শরবত স্বাস্থ্যকর কিনা, তা যাচাইয়ের চেষ্টা ও নেই কারো।

চিকিৎসকরা বলছেন, এই গরমে বেশিক্ষন খোলা স্থানে থাকলে হিট স্ট্রোকের আশংখা থাকে। তাদের মতে, ভ্যাপসা গরমে দেহ থেকে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণ পানি বের হয়ে যায়। এ কারণে প্রচুর পরিমান পানি পান করতে হবে এবং প্রয়োজনে খাওয়ার স্যালাইন খেতে হবে। এ অবস্থায় লোকজনের প্রত্যাতা এক পশলা বৃষ্টির।

দরিদ্র পরিবারগুলো জানায়, এই তীব্র গরমে সারাদিন খাটুনির পর রাতের ঘুমও ঠিকমত হচ্ছে না। অতিরিক্ত গরমে গেটে খাওয়া অনেকে কাজ না করে ঘরে অবস্থান জানালেন। এমন গরমে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন শিশু ও বৃদ্ধরা। তবে গরমের কারণে সৃষ্ট রোগ থেকে বাঁচতে বেশি বেশি পানি পানের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এদিকে ভ্যাপসা গরমের ফলে ও বৃষ্টি না হওয়ার কারণে মশার উপদ্রব বেড়েছে। অন্যদিকে তীব্র গরমে এই উপজেলায় সামান্য লোডশেডিং বেড়েছে। ফলে বাসা-বাড়িতে অবস্থানরত গৃহবধূ -গৃহকর্তারা অতিষ্ঠ।