মেইন ম্যেনু

রাণীশংকৈল পুজা উদযাপনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা গ্রহন

উলু উলু ধনিতে মুখরিত রাণীশংকৈলের প্রতিটি পুজা মন্ডপ ।ধর্ম যার যার উৎসব সবার, এই প্রতিপাদ্য বিষয়টিকে মাথায় রেখে রাণীশংকৈল উপজেলায় মোট ৫১ টি মন্ডপে শারদ্বীয় দূর্গাপুজা পালিত হতে যাচ্ছে । এ বছর আনন্দ উদ্দীপনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ব্যাপক কেনাকাটার মাধ্যমে ভালবাসায় মুখরিত ‘মা দূর্গা”কে বরণ করে নিতে কার্পণ্যতা করেননি রাণীশংকৈলের হিন্দু সম্প্রদায়।

এরই মাঝে প্রতিমা তৈরী শেষ করে নানান অলংকারে রঙের ভিন্নতায় দূর্গা উপস্থিত হয়েছে মন্দিরে মন্দিরে ।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে রড় ধর্মীয় উৎসব এটি। ধুপ আর প্রদীপের ধোঁয়াই শংখ ও ঘন্টার শব্দে মন্ত্রের বাণীতে মায়ের সাজে সাজবে দেবী দূর্গা ।শান্তি সংহতি আর বিপদ নাশের প্রতিক মা দেবী দূর্গা । তাই, হিন্দু সম্প্রদায় প্রতিবছর পালন করেন- সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদ্বীয় দূর্গা পুজা।এরই মধ্যে মহালয়ার আবহনী বার্তা শেষে মর্তে আর্বিভাব ঘটেছে দেবীর। ১৯ আক্টোবর ষষ্ঠী শুরুর মাধ্যমে আগামী শুক্রবার দশমীতে পৃথিবী থেকে বিদায় নিবে মা দূর্গা!

রাণীশংকৈল পৌরসভায় কলেজ পাড়া পুজা মন্ডপ, কেন্দ্রীয় গোবিন্দ্র মšিদর পুজা মন্ডপ,হাটখলা পুজা মন্ডপ,ও পিপলতলা পুজা মন্ডপে পুরোদমে চলছে মা দূর্গার

সাজ সজ্জার মহাৎসব। উপজেলা পুজা কমিটির সভাপতি- সম্পাদক সহ সংশ্লিষ্ঠ সকলেই পুজার দাওয়াত ও ইউনিয়ন পর্যায়ের পুজা কমিটির সকলকে নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এ দিকে সরকারের সফলতাকে ধরে রাখতে থানা অফিসার ইনচার্জ সুকুমার মহন্ত বলেন- এবার পুজাকে ঘিরে রাণীশংকৈলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। পৌরসভা সহ প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে পুলিশ অফিসারকে আনসার ও গ্রাম্যপুলিশদের নিয়ে সার্বক্ষনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এই উপজেলায় একটি সম্পৃতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপদেষ্টা হিসাবে মাননীয় সাংসদ গন সহ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ রয়েছেন এবং পুজার শৃঙ্খলা রক্ষার্থে কোনরকমের বিশঙ্খলা কঠোরভাবে দমন করা হবে ।