মেইন ম্যেনু

রাতের আঁধারে বাড়ির উঠানে হঠাৎ জেগে উঠা কূপ নিয়ে তোলপাড়!

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ): আড়াইহাজারে রাতের আঁধারে জেগে উঠা কূপ নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে হুলুস্থুল কাণ্ড। সাধারণ নারী-পুরুষ কূপের পানি পান করার আশায় যে যার মতো পাত্র নিয়ে আসছে কূপের ধারে। কেউ কেউ রোগ ব্যধি সারাতে সরল বিশ্বাসে কূপের পানি পান করছে। কেউ বোতলে ভরে নিয়ে যাচ্ছে।

আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী‏ ইউনিয়নের নোয়াদ্দা গ্রামের পাওয়ারলুম শ্রমিক আলমগীরের উঠানে হঠাৎ করেই কূপ বের হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার সকালে এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গৃহকর্তা আলমগীরের উঠানে শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু ভিড় জমিয়েছে। তারা কূপ ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে।

বাড়ির মালিক আলমগীর জানান, সোমবার সকালে তার শিশু ছেলে পাবেল (১০) উঠানে হাঁটাহাঁটি করার সময় ছোট একটি গর্ত দেখতে পায়। সে গর্তের মুখে পা দিয়ে আঘাত করলে গর্তটি আরো একটু বড় হয়ে যায়। পরে বাড়ির লোকজনদের ডেকে আনে সে। লোকজন গর্তে টর্চ লাইট দিয়ে পানি দেখতে পায়। পরে কোদালের সাহায্যে উপরের মাটি সরালে বের হয়ে আসে গোলকার প্রায় আড়াই ফুট দীর্ঘ আর ১০ ফুট গভীর একটি কূপ। এতে রয়েছে প্রায় তিন ফুট পানি।

বাড়ির উঠানে কূপ বের হওয়ার ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে লোকজন আসতে থাকে কূপ দেখতে। অলৌকিক ভেবে কেউ কেউ বোতলে ভরে ওই পানি নিয়ে যাচ্ছেন।

এলাকার তারাবান নামে এক বৃদ্ধা জানান, রোগ শোক থেকে মুক্তি পাবার আশায় লোকজন কূপের পানি নিয়ে যাচ্ছেন।

হেকিম নামে এক ব্যক্তি স্থানীয় লোকদের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের কাছ থেকে টাকা উঠানোর চেষ্টা করলে এলাকার যুব সমাজ বাধা দেয়।

এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, কূপটি গোলাকার খাঁজ কাটা হওয়ায় অনেকেই এটি অলৌকিক মনে করছে।

তবে স্থানীয় মসজিদের ইমাম হাফেজ সালাহউদ্দিন জানান, ভালো করে না দেখে এ কূপ সম্পর্কে কিছু বলা যাবে না। তবে এনিয়ে কোনো ধর্মীয় ব্যাখ্যা দেয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়।

তবে ধর্মীয় বিশ্বাসে এ কূপের পানি পরীক্ষা না করেই পান করছে লোকজন।