মেইন ম্যেনু

রাতের আধারে প্রেমিকের সাথে পালাতে গিয়ে শিক্ষিকা আটক

পরের বউ নিয়ে পালাতে গিয়ে স্থানীয় জনতার হাতে ধরা খেল স্বামী ছেড়ে পালানো এক সন্তানের জননী লাবনী বেগম (২০) এবং প্রেমিক মোস্তাফিজার রহমান (২৮)। স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশে দিলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। পরে বিচারক প্রেমিককে এক মাসের কারাদণ্ড দেন।

বৃহস্পতিবার রাতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ঘটে এই ঘটনা। দণ্ডপ্রাপ্ত মোস্তাফিজার রহমান উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের দরবস্ত মধ্যপাড়া গ্রামের সাজু মিয়ার ছেলে। লাবনী বেগম গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের রামপুরা গ্রামের সোহাগ মিয়ার স্ত্রী।

রাত ১০টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহম্মেদ আলী ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এ রায় দেন।

লাবনী বেগম স্থানীয় সাদিয়া ইসলাম কিন্ডার গার্টেন স্কুলে শিক্ষিকা। নিঝুম নামে তার দেড় বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। স্বামীর সংসার ও শিশু সন্তান থাকার পর তিনি মোস্তাফিজার রহমানের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বামী সোহাগকে নিয়ে গোবিন্দগঞ্জ পৌর মার্কেটে কেনাকাটা করতে যান লাবনী বেগম। সেখান থেকে প্রেমিক মোস্তাফিজারের সঙ্গে একটি সিএনজিতে করে রংপুরের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।

বিষয়টি জানতে পেরে সোহাগ তার কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে মহাসড়কের কোমরপুরে সিএনজিটি থামিয়ে তাদের নামিয়ে আনা হয়। পরে এ নিয়ে মোস্তাফিজারের সাথে সোহাগের কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন তিনজনকেই আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, রাত ১১টার দিকে মোস্তাফিজার ও লাবনীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় লাবনী স্বেচ্ছায় তার সঙ্গে যাওয়ার কথা স্বীকার করলেও বিচারক দণ্ডবিধির ৩৫৭ ধারা মোতাবেক মোস্তাফিজারকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে লাবনীর স্বামী সোহাগেরও এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।