মেইন ম্যেনু

রানীশংকৈলে ১ কাপ চায়ে ৩ কেজি মুলা

শস্য ভান্ডার হিসেবে ঠাকুরগাওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা খ্যাতি হিসেবে পরিচিত। ঠিক সেই রাণীশংকৈলেই এখন ১ কাপ চায়ের দামে ৩ কেজি মুলা পাওয়া যাচ্ছে। ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অসহায় কৃষকরা এতে তারা মূলা আবাদ করে পড়েছে বিপাকে।

এ উপজেলা থেকে এলাকার চাহিদা পুরণ করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মূলা সরবরাহ হয়ে থাকে। ভোক্তার চাহিদা পুরণ হলেও অনেক সময় মূল্য কম হওয়ায় কৃষককে গুনতে হয় লোকসানের হিসেব। বিভিন্ন কারনে উৎপাদনের চেয়ে বিক্রয় মুল্য কম হওয়ায় লোকসান হচ্ছে শবব্জি চাষীদের।

অনেকে ধার দেনা, চড়া সুদে ঋণ গ্রহণ, কৃষি ঋণ, এনজিও ঋণ সহ বিভিন্ন কায়দায় ঋণ গ্রহণ করে চাষাবাদ করেছে আর এখন মূলার ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় দায়ের বোঝাটা অনেক বড় হয়ে গেছে তাদের কাছে। বর্তমানে কৃষককে ২ টাকা কেজি দরে মুলা বিক্রি করতে হচ্ছে।

এক সাথে ৩ কেজি মুলা কিনলে তা ৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এদিকে ৫ টাকা দিয়ে খেতে হয় এক কাপ চা। তাই এক কাপ চায়ে ৩ কেজি মুলা পাওয়া যাচ্ছে বর্তমান বাজারে।

এ বিষয়ে উপজেলার মুলা চাষী আঃ জলিল বলেন, এবার মুলার দাম বেশী না থাকায় এক একর জমিতে মুলা চাষ করে লোকসানের হিসেব গুনতে হচ্ছে। কিভাবে যে, এই লোকসান পোষাবে তা তিনি খুজে পাচ্ছেন না।