মেইন ম্যেনু

রাবিতে দলীয় কর্মীকে মারধর করলো ছাত্রলীগ

ইয়াজিম ইসলাম পলাশ, রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ছাত্রলীগের দলীয় কর্মীকে মারধর করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এক নেতা। ছাত্রলীগের সভাপতির উপস্থিতিতে এ মারধরের ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। রোববার রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের পলাশ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ফারুক হাসান বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুর্যোগ ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক। ভুক্তভোগী মুমিনুর রহমান তাজ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি আতিকুর রহমান সুমনের অনুসারী।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ছাত্রলীগ সূত্র জানায়, রোববার রাত ৯টার দিকে চারুকলা অনুষদের পলাশ চত্বরে নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতির কাজ করছিলেন তাজ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রাঞ্জুর নেতৃত্বে ৭-৮ জন নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত হন। এরপর সভাপতির সামনেই তাজকে চড়-থাপ্পর, কিল-ঘুষি মারেন ছাত্রলীগ নেতা ফারুক।

ভুক্তভোগী তাজ বলেন, সভাপতি আমার ওখানে আসলে আমি তার সঙ্গে হাত মেলানোর সময় অতর্কিতভাবে চড়-থাপ্পর মারে ফারুক। এ সময় আতিক ভাই কোথায় সেটাও জানতে চেয়েছিল তারা।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা আতিকুর রহমান বলেন, শনিবার রাতে আমাকে আটক করে মারধরের হুমকি দিয়েছিলেন সভাপতি রাঞ্জু। এ সময় পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। তার হুমকিতে সেদিন বাধ্য হয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছিলাম। সভাপতির প্রতিহিংসার কারণে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারছি না। তিনি সভাপতি হয়ে আমার সাথে এ ধরনের আচরণ করতে পারেন না। তাজ আমার অনুসারী হওয়ায় এবং ফেসবুকে আমার পোস্ট শেয়ার ও পোস্টে কমেন্ট করায় তাকে মারধর করা হয়েছে।

মারধরে বিষয়টি স্বীকার করে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক বলেন, সে ফেসবুকে উল্টাপাল্টা কমেন্ট করছিল, তাই তাকে শাসন করেছি। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে দলীয় কারণে তাকে শাসন করা হয়েছে।

নিজের উপস্থিতিতে দলীয় কর্মীকে মারধরে বিষয়টি স্বীকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রাঞ্জু। তিনি বলেন, ফেসবুকে বিভিন্ন ভূয়া আইডি খুলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে আতিকুর রহমান। এ জন্যে তাকে সাবধান করে দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে তাজ আতিককে সহযোগিতা করছে, তাই তাকে চড়-থাপ্পর মারা হয়েছে।