মেইন ম্যেনু

রাস্তায় বড় বড় গর্ত ঝিনাইদহ যশোর মহাসড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ

ঝিনাইদহ-যশোর আঞ্চলিক মহাসড়কটি এখন যানবাহন চালকদের কাছে মৃত্যুফাঁদ। ঝিনাইদহ থেকে যশোর পর্যন্ত ৪৫ কিলোমটিার রাস্তায় বড় বড় গর্ত। ভরে গেছে খানা-খন্দকে। সড়ক সংস্কারের নামে ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগ বছর বছর যে অর্থ খরচ করে তা কার্যত কোনো কাজে লাগছে না। ফলে চলতি বর্ষা মৌসুমে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এই অঞ্চলের যাত্রীরা।

সরেজমনি দেখা গেছে ঝিনাইদহ-যশোর সড়কের পুরোটাই খানাখন্দকের সৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর, চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, হামদহ, তেঁতুলতলা বাজার, বিষয়খালী বাজার, ছালাভরা, বারোবাজারসহ আরও কয়েকটি পয়েন্টে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। খানাখন্দক ভরাটের জন্য কয়েক দিন ধরে পাথর ও বিটুমিন দিয়ে সাময়িকভাবে মেরামত করা হলেও তাতে কাজ হচ্ছে না। কোথাও কোথাও আগের চেয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

আঞ্চলিক এ সড়কের দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দশটি জেলার যানবাহন। এসব যানবাহনে লাখ লাখ যাত্রী ও বিপুল পরিমাণ পণ্য পরিবহন হয়। ঝিনাইদহের মাইক্রো চালক আলমগীর হোসেন বলেন, ঝিনাইদহ যশোর সড়কে চলাচল করে তার দুইটি গাড়ি বসে গেছে। রাস্তা খারাপের কারণে কোন চালক এই রাস্তায় আসতে চান না। প্রতিদিন রাস্তার কোনো না কোনো জায়গায় যানবাহন বিকল হচ্ছে। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার না করলে দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।

বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু বক্কর বলেন, ‘ঝিনাইদহ থেকে বিষয়খালী বাজার পর্যন্ত সড়কের যে দশা তাতে চলাচলে মারাত্মক অসুবিধা হচ্ছে। প্রতিদিনই যানবাহন নষ্ট হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকছে। যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঝিনাইদহ থেকে যশোর পর্যন্ত ৪৫ কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিতে সময় লাগার কথা এক ঘণ্টা। রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় সেখানে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় লাগছে।’

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে রাস্তা মেরামত করা হয়েছিল। যানবাহনের অতিরিক্ত চাপে ফের রাস্তা নষ্ট হয়ে গেছে। দ্রুত রাস্তাটি মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করা হবে।