মেইন ম্যেনু

রিজার্ভ চুরি : ফিলরেমের লাইসেন্স বাতিল

ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের চুরি হওয়া অর্থ স্থানান্তরে সহায়তা করার অভিযোগে ফিলিপাইনের রেমিটেন্স কোম্পানি ফিলরেম সার্ভিস কর্পোরেশনের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স বুধবার এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করেছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ফিলিপাইনের অর্থপাচারবিরোধী অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কাউন্সিল (এএমএলসি) গত ২৮ এপ্রিল ফিলরেম সার্ভিস করপোরেশন নামের রেমিট্যান্স কোম্পানিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা দিয়েছে। লেনদেনের তথ্যের ব্যাপারে অস্পষ্টতা এবং ফিলিপাইনের একাধিক ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে চুরি হওয়া অর্থ সরিয়ে ফেলা ও অন্য দেশের মুদ্রায় রূপান্তরের অভিযোগ রয়েছে ফিলরেমের বিরুদ্ধে।

ফিলিপাইনের অ্যান্টি মানি লন্ডারিং তদন্তকারীরা বলেছেন, বাংলাদেশের চুরি যাওয়া অর্থ লেনদেনে ওই প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা ছিল। তবে ফিলরেম এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেম হ্যাকড করে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রিজার্ভ ব্যাংকের বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে হ্যাকাররা ৯৫১ মিলিয়ন ডলার চুরির চেষ্টা করে। পরে বেশ কিছু পেমেন্ট বন্ধ করে দিয়ে বেশিরভাগ অর্থচুরি ঠেকানো গেলেও ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরি করতে সক্ষম হয় হ্যাকাররা। এরমধ্যে ৮১ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ফিলিপাইনে স্থানান্তরে সক্ষম হয় তারা।

ফিলিপাইনে পাচার হওয়া ওই অর্থ দেশটির রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) জুপিটার ব্রাঞ্চের চারটি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। পরে তা চলে যায় জুয়ার আসরে (ক্যাসিনোতে)।

এই প্রেক্ষাপটে গত ২৮ এপ্রিল অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিল ফিলরেমের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ আনে।

অভিযোগে বলা হয়, ক্যাসিনোতে যাওয়ার আগে চুরি হওয়া টাকার ভুয়া লেনদেন, ফিলিপাইনের ব্যাংকের ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে স্থানান্তর ও লোপাটের পেছনে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা রয়েছে।

ফিলরেম এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে এ নিয়ে ফিলরেমের আর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।