মেইন ম্যেনু

রিজার্ভ চুরি: ২৪ ঘন্টা হটলাইন নজরদারিতে ফেডারেল রিজার্ভ

ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির পর অনলাইনে ২৪ ঘন্টা নজরদারির পথে হাঁটছে ব্যাংকটি। এখন থেকে পাঁচদিনের পরিবর্তে সপ্তাহের সাতদিন এবং ২৪ ঘন্টাই অর্থলেন-দেনের বিষয়টি অনলাইনে নজরদারি করা হবে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে ৩৫টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। এর বেশিরভাগটাই শেষ পর্যন্ত গিয়েছিল ফিলিপিন্সের বিভিন্ন ক্যাসিনোতে। নানা পদক্ষেপের পর অল্প কিছু উদ্ধার হলেও বেশি ভাগ অর্থই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

মার্কিন ম্যাগাজিন ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রির্জাভ চুরির আগে সোমবার থেকে শুক্রবার নজরদারি হটলাইন খোলা থাকতো সকাল সাড়ে আটটা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত। ফেডারেল রিজার্ভের ওয়েসাইটেও একই তথ্য দেখা গেছে। তবে ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল নজরদারি বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও ফেডারেল রিজার্ভের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানানো হয়নি।

ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জ্যানেট ইয়েলে বলেছেন, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘটনার পর অর্থ লেন-দেনের ক্ষেত্রে ফেড আরো কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমি একুটু বলতে পারি ফেডারেল সিস্টেমে কোনো রকম আপোসকামিতার বিষয় নেই। আমরা সর্বোচ্চ ব্যবস্থাটিই গ্রহণ করি। অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নজরদারি ব্যবস্থারই চেষ্টা করছি।’

সপ্তাহে পাঁচদিন নজরদারির কারণে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সময় এবং সাপ্তাহিক ছুটির ভিন্নতার কারণে জটিলতা দেখা দেয়। যেদিন রিজার্ভ চুরি হয় সেদিন বাংলাদেশ ব্যাংকে বন্ধের দিন থাকলেও রিজার্ভে অফিসের দিন ছিল। যার কারণে অর্থ স্থানান্তরের অনুরোধ পাওয়ার পর সেটা নিশ্চিত হতে দুদিন সময় নিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে ‍উত্তর পায়নি ফেড রিজার্ভ ।

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান শুাক্র-শনি বার ছুটির পর ফেডের অনুরোধ দেখে ই-মেইল, টেলিফোন ও ফ্যাক্সে যোগাযোগ করে তারা। কিন্তু রোববার ছিল ফেডের বন্ধের দিন। তাই সোমবারের আগে কেউ কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারেনি। আর হ্যাকাররা এই সুযোগটিই নিয়েছে বলে জানায় ওয়ালস্টিট জার্নাল।