মেইন ম্যেনু

রিভিউ শুনানি: সিদ্ধান্ত প্রধান বিচারপতির হাতে

মুজাহিদ ও সাকা চৌধুরী নির্ধারিত সময়ে রিভিউ আবেদন করলে সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটিতে শুনানি হবে কি না তা নির্ভর করছে প্রধান বিচারপতির সিদ্ধান্তের ওপর।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে রিভিউ আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মুজাহিদের আইনজীবী শিশির মনির জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময় ১৫ দিনের মধ্যেই রিভিউ আবেদন করা হবে। অপরদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী রিভিউ আবেদন করবেন কি না তা দুই একদিনের মধ্যেই জানা যাবে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

এদিকে অক্টোবর মাস জুড়ে চলছে সুপ্রিম কোর্টের বাৎসরিক অবকাশকালীন ছুটি।

সাধারণত এ সময়ে আপিল বিভাগে কোন মামলা শুনানির নজির নেই। তবে এ বছরের মাঝামাঝি সময়ে অবকাশ চলাকালে আপিল বিভাগ বসে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুলকে জামিন দিয়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অবকাশকালে রিভিউ আবেদনের শুনানি হবে কি না সে সিন্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার প্রধান বিচারপতির। আপিল বিভাগ চাইলে অবকাশকালীন ছুটিতেও শুনানি হতে পারে।

তবে মুজাহিদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, এই মুহূর্তে আদালতের অবকাশ চলছে। আগামী ৩১ অক্টোবর ছুটি শেষ হবে। অবকাশ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আদালতে মামলা শুনানির বিধান নেই।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ সেপ্টেম্বর জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করে আপিল বিভাগ।

সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর রিভিউ করার জন্য যুদ্ধাপরাধ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা ১৫ দিন সময় পাবেন। সে হিসেবে রিভিউ করতে আর ১০-১১ দিন সময় হাতে আছে সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদের।

রায়ের নির্ভরযোগ্যতায় ‘খাদ আছে’ বা ‘বিচার-বিভ্রাটের’ আশঙ্কা আছে বলে মনে করলেই আদালত রিভিউ আবেদন গ্রহণ করবেন।

রিভিউ আবেদনের নিষ্পত্তি হয়ে গেলে এবং তাতে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকলে আসামিকে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে। তিনি স্বজনদের সঙ্গে দেখাও করতে পারবেন।

রাষ্ট্রপতির ক্ষমার বিষয়টি ফয়সালা হয়ে গেলে সরকার কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে।