মেইন ম্যেনু

রিশার পর এবার উইলস লিটলের ছাত্রকে ছুরিকাঘাত

রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা হত্যাকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার প্রতিষ্ঠানটির আরেক ছাত্রকে ছুরিকাঘাতের খবর পাওয়া গেছে। রবিবার দুপুরে মালিবাগ রেলগেট এলাকায় আলভী হাসান নামে ওই ছাত্রকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আলভীকে জাতীয় অর্থপেডিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আলভী উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। তার বাবার নাম মো. রেজাউল করিম। পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর সবুজবাগ থানার বাসাবো কদমতলার হক সোসাইটিতে থাকেন তিনি। ছুরিকাঘাতে তার বাম হাতের রগ কেটে গেছে।

আলভীর খালাতো ভাই মঞ্জু সরকার বলেন, দুপুর সোয়া দুইটার দিকে মালিবাগ রেলগেট এলাকায় কামরুল হাসান ও টিপুসহ বেশ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলভীকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে তার বাম হাতের রগ কেটে যায় ও ডান হাতের কব্জিতে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে জাতীয় অর্থপেডিক হাসপাতালে (পঙ্গু) ভর্তি করা হয়েছে।

মঞ্জু সরকার আরও জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তার উপর হামলা করা হয়েছে। হামলাকারী কামরুল হাসান রমনা থানা ছাত্রলীগের নেতা বলে জানান তিনি।

জানতে চাইলে রমনা মডেল থানার পরিদর্শক আলী হোসেন বলেন, ‘এলাকার ছোট ভাই বড় ভাই সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালে আমাদের একটি টিম রয়েছে। তারা আসলে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো যাবে’।

উল্লেখ্য, প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ২৪ আগস্ট উইলস লিটল ফ্লাওয়ারের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশাকে ছুরিকাঘাত করে ওবায়দুল হক নামে এক দরজি। চারদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৮ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। রিশার মৃত্যুর পর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে রিশার স্কুলের শিক্ষার্থীরা। খুনিকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আলটিমেটামও দেয়া হয়। পরে ৩১ আগস্ট নীলফামারীর ডোমার থানা থেকে ওবায়দুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।