মেইন ম্যেনু

সিরিয়া সংঘাত

রুশ সামরিক উৎকর্ষতায় বিস্মিত পশ্চিমারা

রাশিয়ার সামরিক প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় বিস্মিত হয়েছে পশ্চিমা গোয়েন্দা ও সামরিক কর্মকর্তারা। সিরিয়ায় দু’সপ্তাহের রুশ বিমান হামলার ব্যাপক সাফল্য এবং সুদূর কাস্পিয়ান সাগর থেকে সিরিয়ায় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের মধ্য দিয়ে সামরিক প্রযুক্তি ক্ষেত্রে রাশিয়ার উন্নতির বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গেছে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বে সামরিক ক্ষেত্রে রাশিয়ার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে বলে বুধবার জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ মাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস।

বুধবার `Russian Military Uses Syria as Proving Ground, and West Takes Notic’ শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ওই দৈনিকটি বলছে, নিজ ভূখণ্ডের বাইরে অভিযান চালানোর সক্ষমতা যে রাশিয়ার আছে তা সিরিয়ায় বিমান হামলার মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে। এই সামরিক অভিযানের মধ্য দিয়ে রাশিয়া নিজের নতুন সমরাস্ত্র, রণ-পদ্ধতি এবং রণকৌশলকে প্রকাশ করেছে।

সিরিয়া হামলায় সুখোই-এসইউ-৩৪ বিমানসহ যে সব জঙ্গিবিমান ব্যবহার করা হচ্ছে এর আগে তা কখনোই যুদ্ধে ব্যবহার করেনি রাশিয়া। এছাড়া,নয়শ মাইলের বেশি দূরত্বে অবস্থিত কাস্পিয়ান সাগর থেকে সিরিয়ার লক্ষ্যবস্তুতে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে রাশিয়া এবং তা সঠিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস বলছে, সব মিলিয়ে পশ্চিমা অনেক বিশ্লেষক বলেছেন, প্রযু্ক্তি ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে গেছে রাশিয়া।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের পররাষ্ট্র বিষয়ক কর্মকর্তা গুস্তেভ গ্রাসেল এক প্রতিবেদনে দাবি করেছেন, ১৯৩০ সালের পর সামরিক খাতে ব্যাপক উন্নতি করেছে রাশিয়া। তিনি আরো বলেছেন,‘সামরিক শক্তির দিক দিয়ে রাশিয়া এখন প্রতিবেশী দেশগুলোকে টেক্কা দিতে পারে। আর এ অগ্রগতি তারা অর্জন করছে পাশ্চাত্য দেশগুলোর কোনোরকম সহায়তা ছাড়াই।’

গতবছর যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপয়ী ইউনিয়নের দেশগুলোর প্রবল বিরোধিতার মধ্যে মস্কো যখন ইউক্রেনের ক্রিমিয়া অঞ্চলটিকে দখল করেছিল, তখনই কিন্তু প্রেসিডেন্ট পুতিনের শক্তি সামর্থ কিছুটা আঁচ করা গিয়েছিল। এবার সিরিয়ায় সামরিক অভিযানের মধ্য দিয়ে তারা পশ্চিমা দেশগুলোকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।