মেইন ম্যেনু

রেকর্ড গড়ে ফাইনালে বার্সা

নিয়মিত একাদশের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই ছিলেন না। ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে কোপা ডেল রের সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে তাদের বিশ্রাম দিয়ে তরুণদের সুযোগ দিয়েছিলেন লুইস এনরিক।

তরুণরা অবশ্য এনরিকের আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি। তবে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেই অনন্য এক কীর্তি গড়েছে বার্সেলোনা। স্পেনের দলগুলোর মধ্যে সর্বাধিক ম্যাচে অপরাজিত থাকার নতুন রেকর্ড গড়েছে এনরিকের দল।

শেষ চারের ফিরতি লেগের এই ম্যাচ জিততে না পারলেও দুই লেগ মিলিয়ে ৮-১ গোলের বড় ব্যবধানে জিতেই কোপা দেল রের ফাইনালে উঠেছে বার্সেলোনা। ঘরের মাঠে প্রথম লেগে ৭-০ গোলের বিশাল জয় পেয়েছিল টুর্নামেন্টের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

ন্যু ক্যাম্পে বড় জয়ে ফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল বার্সেলোনার। ফিরতি লেগের ম্যাচটিকে তাই পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ হিসেবে নিয়েছিলেন এনরিক। লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ, নেইমার, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাসহ নিয়মিত প্রথম একাদশের বেশিরভাগ খেলোয়াড়কেই তাই বিশ্রাম দিয়েছিলেন বার্সা কোচ।

অনেকটা ‘বি’ দলে পরিণত হওয়া বার্সার ওপরও তাই শুরু থেকেই চেপে বসে ভ্যালেন্সিয়া। ৩৯ মিনিটে এগিয়েও যায় স্বাগতিকরা। মাঝমাঠ থেকে উড়ে আসা বল দারণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি বক্সে ঢুকে পড়েন আলভারো নেগ্রেদো। বার্সা গোলরক্ষক টের স্টেগেন এগিয়ে এসে বল ঠেকানোর চেষ্টা করলেও পারেননি, ফাঁকা জালে বল জড়ান এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল বার্সেলোনা। কিন্তু স্প্যানিশ স্ট্রাইকার মুনির এল হাদ্দাদির হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না বার্সা। এক সময় তো মনে হচ্ছিল, অপরাজেয়র নতুন রেকর্ড বুঝি আর গড়া হচ্ছে না বার্সার।

তবে নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হওয়ার ছয় মিনিট আগে বার্সার ত্রাণকর্তা হয়ে দেখা দেন বদলি হিসেবে মাঠে নামা উইলফ্রিড কাপতৌম। ক্যামেরুনের এই মিডফিল্ডারের গোলেই হার এড়ানোর পাশাপাশি ইতিহাস গড়ার আনন্দে মাঠ ছাড়ে অতিথিরা।

এই ড্রয়ে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ২৯ ম্যাচ অপরাজিত থাকল বার্সেলোনা, যা ক্লাব রেকর্ডের পাশাপাশি স্প্যানিশ রেকর্ডও। এর আগে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত পেপ গার্দিওলার অধীনে টানা ২৮ ম্যাচ অপরাজিত ছিল বার্সা।