মেইন ম্যেনু

রেজিস্ট্রেশন বিহীন মোটরসাইকেলে কলারোয়ায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রতারক চক্র

জুলফিকার আলী, কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা জুড়ে চলছে রেজিস্ট্রেশন বিহীন হাজারও অবৈধ মোটরসাইকেল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নেই কোন ড্রাইভিং লাইসেন্সও। এসব মোটরসাইকেলের রাস্তায় চালানোর উপযোগী, নেই কোন প্রকার বৈধ কাগজ পত্রও।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও বিভিন্ন সূত্র মতে, এই সকল অবৈধ মোটর সাইকেল পরিচালনা বন্ধের আইন থাকলেও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কিছু লোক রহস্যজনক কারনে কোন প্রকার ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তথা পুলিশ প্রশাসনের নীরবতায় দিন দিন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে অবৈধ মোটরসাইকেলের সংখ্যা। কলারোয়া উপজেলা এক হাজারও বেশি ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল রয়েছে। আর ভাড়ায় চালিত অবৈধ মোটরসাইকেলের কারনে বাড়ছে ছিনতাই, খুনসহ নানা অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, একটি মোটর সাইকেলে দুইজনের বেশী বহন না করার নিয়ম থাকলেও অদক্ষ চালকের তেলেসমাতিতে ৪/৫ জনযাত্রী নিয়ে ছুটে চলছে বিনা প্রতিবন্ধকতায়। অধিকাংশ চালকের নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেড, রেজিষ্ট্রশন কিংবা মটর সাইকেল চালানোর কোন নিম্মতম ধারনা নেই। অবশ্যই দুই একটি মোটরসাইকেল ধরা পড়লেও তাও আবার নেতাদের তেলেজমাতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়। মাঝে মধ্যে দুই একটি রেজিষ্ট্রশন করার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। থানা পুলিশের খাতায় কেসের সংখ্যা অনেক গুলো। কিন্তু চলে তার বেশী মোটর সাইকেল।
এখানে বর্তমানে প্রেস, সাংবাদিক, ভুয়া নম্বর প্লেট, ভুয়া রেজিষ্ট্রশন কাগজপত্র নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রতারক চক্র। লেখাপড়া জানে না তাও সাংবাদিক লিখে মোটরসাইলে চলছে। এদের দাপটে দিশাহারা হয়ে উঠেছে অনেকে। এখন রমজান মাস সামনে ঈদ তাই ছুটছে সীমান্তে মাসো হারাসহ ভয়দেখিয়ে চাঁদা আদায়। সীমান্তে পালসার বাবুদের জন্য বসবাস করতে পারছে অনেক নিরহ সাধারণ মানুষ।
একজন সাধারণ মানুষ বললেন, তিনি কোন পত্রিকায় কাজ করেন না তবে মোটর সাইকেলে প্রেস লিখেছেন যদি পুলিশ ধরে তাই। এতো কিছুর পরও প্রশাসন নীরব। আজকাল মানুষের পাশাপাশি গরু-ছাগলও বন্য প্রাণী পর্যন্ত চড়ছে এসব মোটরসাইকেলে। এচিত্র নতুন নয়, মাঝে মাঝে দেখা যায়।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলের জন্য জীবন দিতে হয়েছে অনেক মায়ের সন্তানকে যারা ছিল দেশের ভবিষ্যৎ। এ পর্যন্ত প্রায় শতাধীক এর বেশী মারাত্বক দূর্ঘনা ঘটেছে, এদের মধ্যে অনেকে এই দূর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছে। ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল মানেই একটি আতংক। আবার মানব পাচার থেকে শুরু করে গাছ পাচারেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছে মোটর সাইকেল। এ মোটর সাইকেল দিয়ে সহজেই সরবরাহ করা হচ্ছে নানা রকম নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য, যেমন ইয়াবা ট্যাবলেট, ফেনসিলিড, গাজা, হিরোইন, স্বর্ণ। এত কিছুর পরও কলারোয়ায় এই সকল মোটরসাইকেল চলছে বিনা বাধায়।
এদিকে এই প্রেস লেখা ও সাংবাদিক লেখা মোটরসাইকেল গুলির কাগজপত্র যাচাই করার জন্য কলারোয়া রিপোর্টাস ক্লাবের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক জুলফিকার আলী স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে। তিনি বলেন, কলারোয়ায় এসকল ঘটনায় প্রকৃত সাংবাদিকদের সম্মান নষ্ট হতে চলেছে। তাই এক্ষুনে ব্যবস্থার নেওয়া প্রয়োজন রয়েছে।