মেইন ম্যেনু

রোজা মানুষের যে উপকারে আসে

আল্লাহ তাআলা বান্দাকে পরীক্ষা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ইবাদাতের বিধি-বিধান নির্ধারণ করেছেন। যাতে মানুষ আল্লাহ তাআলার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পরকালের জীবনে সফলতা লাভ করতে পারে। আল্লাহ তাআলা কর্তৃক বিধিবদ্ধ ইবাদাতের মধ্যে রোজাও একটি। এ রোজাকে মানুষের জন্য বিধি-বিধান করার রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ হিকমত। যা তুলে ধরা হলো-

১. রোজার মাধ্যমেই মানুষের হৃদয়ে তাকওয়ার (আল্লাহর ভয়) বীজ বপন হয় এবং হারাম কাজ করা থেকে থেকে অঙ্গ-পত্যঙ্গ মুক্তি পায়।

২. রোজা মানুষকে তার নফসের নিয়ন্ত্রণ করতে এবং অবাধ্যতাকে লাগাম পরানোর অভ্যাস গড়ে তুলে। আর প্রশিক্ষণ দেয় দায়িত্বভার বহণ ও কঠিন মুহূর্তে ধৈর্য-সহ্য ও সহিষ্ণুতার।

৩. রোজা একজন মুসলিম ব্যক্তিকে তার প্রতিবেশি গরিব-অসহায় ভাইদের ব্যথা অনুভব করা সুযোগ করে দেয়। তাই রোজা তাকে ফকির-মিসকিনদের প্রতি ইহসান ও তাদের জন্য ব্যয় করতে উদ্বুদ্ধ করে। আর এর দ্বারা সৃষ্টি হয় ভ্রাতৃত ও ভালোবাসার বন্ধন।

৪. রোজার দ্বারা মানুষ নিজ প্রবৃত্তিকে আয়ত্তে রাখতে পারে। রোজা ব্যতিত অন্য সময়ে সাধারণত নফ্স বা প্রবৃত্তি অসৎ কাজে প্রভাব বিস্তার করে এবং হারাম কাজের দিকে ধাবিত করে। কিন্তু রোজা কুপ্রবৃত্তির লাগাম টেনে ধরে এবং ভাল কাজের দিকে পরিচালনা করে থাকে।

৫. রোজা রোজাদারের জন্য আল্লাহর আনুগত্যকে সহজ করে দেয়। এটা বাস্তবেও পরিলক্ষিত হয়; কেননা আমরা রোজাদারদেরকে রমজান মাসে বিভিন্ন নেক কাজে প্রতিযোগিতা করতে দেখি; মানুষ যা অন্য সময়ে করতে অলসতা প্রদর্শন করে থাকে এবং তাদের জন্য তা করাটাও জটিল ব্যাপার হয়ে থাকে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজানের প্রথম দশকে রহমত লাভে এ হিকমতগুলো উপলব্দি করে রোজা করণীয় হক আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।