মেইন ম্যেনু

রোনালদোর রেকর্ড দিয়েই জয়ে ফিরলো রিয়াল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ভলফসবার্গের মাঠে ২-০ গোলের পরাজয়। মাঠের বাইরে দর্শকদের প্রত্যাশার চাপ। এতসব সমীকরণকে সামনে রেখে লা লিগার দল এইবারের বিপক্ষে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে খেলতে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদ।

তারওপর প্রথম একাদশে নেই নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক কেইলর নাভাস, মিডফিল্ডার টনি ক্রুস এবং ইয়ান বেল। তবুও চেনা চেহারায় ফিরতে কষ্ট হলো না ভঙ্গুর দল রিয়ালের। সফরকারী এইবারকে ৪-০ গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ চেড়েছে লজ ব্লাঙ্কোজরা।

ভলফসবার্গের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ নিয়ে বেশি চিন্তিত রিয়াল মাদ্রিদ কোচ জিনেদিন জিদান। সেমি ফাইনালে যেতে হলে নিজেদের মাঠে অন্তত ৩-০ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে রিয়াল মাদ্রিদকে। সে জন্যেই ঘরের মাঠে ফুটবলারদের নিয়ে ঝুঁকি নিতে চাননি এই ফ্রেঞ্চ ম্যান।

ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে রিয়াল মাদ্রিদ। ৬ মিনিটের মাথাতেই প্রথম গোল পেয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। অসাধারণ এক ফ্রি কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন হামেশ রদ্রিগেজ। ১৮ মিনিটেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লুকাস ভাসকুয়েজ।

পরের মিনিটেই গোল করে দলকে ৩-০ গোলের লিড এনে দেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। লিগে এটি তার ৩০তম গোল। সেই সঙ্গে গড়ে ফেলেছেন একটি রেকর্ডও। প্রথম ফুটবলার হিসেবে লা লিগায় টানা ছয় মৌসুম ৩০ কিংবা তার বেশি গোল করার কৃতিত্ব গড়েছেন রোনালদো।

প্রথমার্ধের ৩৯ মিনিটে হেসে রদ্রিগেজ গোল করলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। দ্বিতীয়ার্ধে আরো আক্রমণ করলেও গোলের দেখা পায়নি রিয়াল মাদ্রিদ।

এই জয়ে ৩২ ম্যাচে ৭২ পয়েন্ট নিয়ে লিগের দ্বিতীয়তে এসে দাঁড়ালো রিয়াল মাদ্রিদ। ৩১ মাচে ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। সমান সংখ্যক ম্যাচে অ্যাটলেটিকোর পয়েন্ট ৭০।