মেইন ম্যেনু

রোয়ানুর তাণ্ডব : চট্টগ্রামে পানি বন্দি আড়াই লক্ষ মানুষ

রোয়ানুর তাণ্ডবের পর চট্টগ্রামের চার উপজেলায় আড়াই লক্ষ মানুষি এখনো পানি বন্দি রয়েছে। এছাড়া নগরী ও বিভিন্ন উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার সম্পদের।চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা প্রশাসক জানান, সমগ্র জেলায় বিশেষ করে বাঁশখালী, সন্দ্বীপ, আনোয়ারা ও সীতাকুণ্ড উপজেলায় প্রায় আড়াই লাখ লোক পানিবন্দি রয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু কিছু এলাকায় পানি নামতে শুরু করেছে। তবে কিছু এলাকা নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিম পটিয়া ও রাউজানের ৬টি ইউনিয়ন রয়েছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড়ে নিহত পরিবারগুলোকে প্রাথমিক পর্যায়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। তাদের পরিবারের সাহায্য যদি আরও লাগে তাও দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

জলোচ্ছ্বাসে সন্দ্বীপ উপজেলায় প্রায় ২০ কিলোমিটার ও বাঁশখালী উপজেলায় ৩০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পতেঙ্গা এলাকায় বেড়িবাঁধ সংলগ্ন ১০০ ঘর-বাড়ি ও দোকান ঝড়ের কবলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পতেঙ্গা নেভাল একাডেমি সড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার সড়ক ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। সমুদ্র সৈকতের ঝিনুক মার্কেট পুরোটাই জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে। নগরীর চাক্তাই খাতুনগঞ্জ, আগ্রাবাদ সিডিএ, হালিশহর, পতেঙ্গা এলাকা এখনো পানির নীচে।

বাঁশখালী, সন্দ্বীপ ও আনোয়ারায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ফসল, গবাদি পশু, মৎস ও ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ, ছনুয়া, গন্ডামারা ইউনিয়ন এবং সন্দ্বীপের রহমতপুর, সারিকাইত, উরিশ্চর, মগধারা, কালাপানিয়া ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে বাঁশাখালীর ছনুয়া ইউনিয়নটির পুরোটাই পানিতে নিমজ্জিত আছে।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, যতটুকু হয়েছে সেটাও অপূররণীয়। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসনে জোর দেয়া হচ্ছে।