মেইন ম্যেনু

 রৌমারী-রাজিবপুর ঝুঁকিমুক্ত সড়কের দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : রৌমারী থেকে রাজিবপুর সড়ক ঝুকিমুক্ত করার দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়। রোববার তরুণ প্রজন্মের উদ্যোগে রৌমারী বাজারের নিকট রৌমারী দাঁতভাঙ্গা সড়কে দুপুর ১২ থেকে টানা ২ঘন্টা ব্যাপি এ মানববন্ধনে সহ¯্রাধিক মানুষ অংশ নেয়। জৈষ্ঠ্যের প্রখর রোদ ও রাস্তার কাদা উপেক্ষা করে ঝুঁকিমুক্ত সড়কের দাবীতে ব্যানার, পোষ্টার, ফেষ্টুন নিয়ে সবার ছিল স্বত:স্ফুর্ত অংশগ্রহন। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

পরে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেকএমপি ও রৌমারী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, প্রদীপ কুমার সাহা, আবু হোরায়রা, রফিকুল ইসলাম, হারুন অর রশিদ,আবু হানিফ, সোহেল রানা,সালমানর্ফাসি তুষার,মামুন,মাসুদ,সিক্ত,দাখিরুণ, তরুণ প্রজন্মের সভাপতি অলিদ বিন বকুল প্রমুখ।

বক্তারা বলেন দীর্ঘ দিন ধরে ৩০কিঃমিঃ ডিসি রাস্তার বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে। রাজিবপুর হয়ে রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা হয়ে জামালপুর জেলার বকশিগুঞ্জ উপজেলা র্পযন্ত ডিসি রাস্তায় শত শত খাদের সৃষ্টি হয়েছে। জীবনের ঝুকি নিয়ে যানবাহন ও জনসাধারন যাতায়াত করছে। প্রতিদিনেই ঘটছে দুঘর্টনা। অনেকে পঙ্গত্ব জীবন যাপন করছে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে। এবিষয় বিভিন্ন পত্রিকায় বিস্তর লেখালেখি হলেও এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি কোন কর্তৃপক্ষ। তারা বলেন, রৌমারী-রাজিবপুর ঝুকিমুক্ত সড়ক চাই, রৌমারী-রাজিবপুর-ঢাকা সড়ক যেন এক মৃত্যুফাদ। অথচ র্দীঘদিন থেকে সড়কটি অবহেলার শিকার।

কুড়িগ্রাম সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ বি এম খুরশিদ আলম জানান,রৌমারী-রাজিবপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বদলে দিতে সরকার ইতি মধ্যে ৫৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রকল্প গুলোর কাজ চলমান। এছাড়া একটি প্রকল্পের কাজ আগামী অর্থবছরের প্রথম ভাগে শুরু হবে। তারআগে এ রাস্তার খানাখন্দ গুলো চলাচলের উপযোগী করতে বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যাতে করে বর্ষা মৌসুমে যানবাহন গুলো নির্বিঘেœ চলাচল করতে পারে। ২০১৭ সালের জুন মাসের মধ্যে সকল প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বদলে যাবে রৌমারীর যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই রৌমারী আর থাকবে না। হবে গোল্ডেন রৌমারী।

তিনি আরও বলেন-জেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের অধিন দাতভাঙ্গা থেকে রৌমারীর সাড়ে ৮কিঃ মিঃ রাস্তা মেরামতের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। এতে ব্যয় হবে কোটি ১১লাখ টাকা। ইতি মধ্যে ৫কিঃ মিঃ রাস্তার কাজ শেষ হয়েছে। পিএমটি মাইনর প্রকল্পের অধিন ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে হাফ কিঃ মিঃ রাস্তার কাজ শেষ হয়েছে। পিএমটি মেজর প্রকল্পের অধিন ২০ কিঃ মিঃ রাস্তার কাজে ১৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকার টেন্ডার মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এ কাজটি আগামী অর্থবছরের শুরুতেই কাজ শুরু হবে। তার আগে ৮লাখ টাকা ব্যয়ে খানাখন্দ ভরাটের কাজ চলছে। এছাড়া রৌমারী থেকে তুরাগ স্থলবন্দর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের সাড়ে ৪কিঃ মিঃ রাস্তা, ২টি ব্রীজ ও ২টি কালভার্ট নির্মানের কাজ চলমান। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৭লাখ টাকা।

কাজেই বিক্ষোভ নয়, সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান। সেই সাথে কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে ধর্যধারন করবার অনুরোধ করেন তিনি।