মেইন ম্যেনু

লটারির মাধ্যমে লঞ্চ কেবিনের টিকিট!

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে লটারির মাধ্যমে ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলকারী লঞ্চের কেবিনের টিকিট বিক্রি করা হবে। ইতিমধ্যে বিশেষ টোকেন যাত্রীদের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আগামী দুই একদিনের মধ্যেই টোকেনের মধ্যে থেকে লটারি করা হবে বলে লঞ্চ মালিক কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, আগামী ২৭ রমজান (৩ জুলাই) থেকে চলাচল শুরু হচ্ছে ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের মালিকাধীন লঞ্চগুলোর ঈদ স্পেশাল সার্ভিস। ১০ থেকে ১২ দিন এই সার্ভিস চালু থাকবে।

প্রতিবছরই আরামদায়ক লঞ্চ সার্ভিসে ভ্রমণে যাত্রীদের সবচেয়ে বেশি আগ্রহ থাকে। বিশেষ করে কেবিন কিংবা সোফার প্রতি যাত্রীদের চাহিদা থাকে বেশি। এ অবস্থাতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েও যাত্রীচাপ সামলাতে হিমশিম খায়।

তার ওপরে টিকেট কালোবাজারিদের খপ্পরে পড়তে হয় যাত্রীদের।

তাই এ বছর আগে-ভাগেই লঞ্চের কেবিন বা সোফার টিকিট ছাড়তে প্রস্তুতি হাতে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তাও আবার বিশেষ লটারির মাধ্যমে।

ইতিমধ্যে কীর্তখোলা ও সুরভীসহ বেশ কয়েকটি লঞ্চ কোম্পানি অগ্রিম টিকিটের জন্য যাত্রীদের আবেদন সংগ্রহ করছে। যাত্রীদের আবেদন পাওয়া মাত্রই তাদের হাতে একটি টোকেন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ওই টোকেনের বাকি অংশ দিয়ে লটারি করে কেবিন কিংবা সোফা যাত্রীদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হবে।

লঞ্চ কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগের পরও যাত্রীদের টিকিট নিয়ে শঙ্কা কাটছে না। কেননা ইতিমধ্যে নামে-বেনামে একাধিক কালোবাজারি আবেদন করে টোকেন সংগ্রহ করেছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কালোবাজারি জানিয়েছেন।

এদিকে সুরভী লঞ্চের স্টাফ রাকিবুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে আবেদন সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং আবেদনকারীদের টোকেন দেওয়া হচ্ছে। আগামী দুই একদিনের মধ্যেই লটারি করে যাত্রীদের মাঝে টিকেট বিতরণ করা হবে। তিনি বলেন, যে পরিমাণের কেবিন বা সোফা আছে তার কয়েকগুণ বেশি চাহিদা রয়েছে।

কীর্তনখোলা লঞ্চের স্বত্বাধিকারী মঞ্জুরুল আহসান ফেরদৌস বলেন, বরাবরই ঈদ কিংবা কোরবানি আসলে লঞ্চের কেবিনের টিকেট নিয়ে যাত্রীরা প্রতিযোগিতায় নামে। তাই এইবার শুধুমাত্র যাত্রীদের মাঝেই টিকেট পৌঁছে দিতে লটারি করা হবে।