মেইন ম্যেনু

লতিফ সিদ্দিকীর আসন শূন্যের গেজেট ইসিতে

সংসদ সদস্য পদ থেকে সদ্য পদত্যাগ করা ও আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা লতিফ সিদ্দিকীর টাঙ্গাইল-৪ আসন শূন্য হওয়ার গেজেট ইসিতে পাঠিয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। বিকেলে এবিষয়ে ইসির পক্ষ থেকে রায় ঘোষণা করা হবে।

রোববার দুপুরে জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব আশরাফুল মকবুল এ সংক্রান্ত একটি গেজেট কমিশনে পাঠিয়েছেন।

গেজেটে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় সংসদের সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী গত ১ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করায় দশম জাতীয় সংসদের ১৩৩ টাঙ্গাইল-৪ আসনটি শূণ্য করা হয়েছে।

এদিকে এর আগে লতিফ সিদ্দিকীকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কারের পর তার সংসদ সদস্য পদ থাকা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। পরে তার সংসদ সদস্য পদের বিষয়ে সিদ্ধান্তের ভার ইসির ওপর পড়ে। এর ফলে কমিশন ২৩ আগস্ট লতিফ সিদ্দিকী ও তার দল আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিকে শুনানিতে ডাকে। কিন্তু ওই দিন লতিফ সিদ্দিকী ইসিতে উপস্থিত হয়ে কমিশনের কাছে সময় চাইলে শুনানি স্থগিত রাখা হয়।

সে হিসেবে আজ ৬ সেপ্টেম্বর লতিফ সিদ্দিকীর শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। অন্যদিকে শুনানির কারণে আজ ইসিতে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত থাকলেও লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে কেউ উপস্থিত ছিল না।

এ বিষয়ে ইসির সিনিয়র নির্বাচন কমিশনার আব্দুল মোবারক বলেন, আমরা কমিশনে বৈঠকে বসেছিলাম এ বিষয়ে বিকেলে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। তবে উনি পদত্যাগ করায় এক্ষেত্রে কমিশনের কিছুই করার নেই বলে কমিশন শুনানি না করার বিষয়ে একমত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার লতিফ সিদ্দিকীর নিজ হাতে লিখা পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে গৃহীত হয়। পদত্যাগপত্রটি বিধিসম্মত হলে সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ১৭৮ (৩) অনুযায়ী বিষয়টি সংসদকে অবহিত করেন স্পিকার।

গেল বছর ২৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় নিউইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতির এক অনুষ্ঠানে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি কিন্তু হজ আর তাবলিগ জামায়াত দুটোর ঘোরতর বিরোধী। আমি জামায়াতে ইসলামীর যতটা বিরোধী, তার চেয়ে বেশি হজ আর তাবলিগের বিরোধী।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা প্রকাশের পর সোরগোল ওঠে। তাকে গ্রেফতার এবং মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেয়ার দাবি তোলে ইসলামী সংগঠনগুলো।

পরবর্তীতে তাকে মন্ত্রিসভা ও আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।