মেইন ম্যেনু

লন্ডনে একসাথে জিৎ-শুভশ্রী, কি করছেন তারা?

কিছুদিন আগেই লন্ডনে শ্যুটিং হয়েছে ‘হাউজফুল থ্রি’৷ নিয়মিত যেমন বলিউড ছবির শ্যুটিং হয় লন্ডনে, তেমনই ফিল্ম লন্ডন (ক্যাপিটালস ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া এজেন্সি ইনকরপোরেটিং ব্রিটিশ ফিল্ম কমিশন) ইদানীং টলিউড ছবির শ্যুটিংয়ে সবরকম সহায়তা করতে রাজি।

সে কারণেই এই লন্ডন-সামারে চারটি বাংলা ছবির শ্যুটিং হল লন্ডনে। প্রযোজক ভাবছেন আগামী বছরও বেশ কিছু ছবির শ্যুটিং করবেন লন্ডনে। ‘প্রেম কী বুঝিনি’ ছবির শ্যুটিংয়ের জন্য লন্ডন এখন নায়িকা শুভশ্রীরও ডেস্টিনেশন। জিতের শ্যুটিংয়ে পৌঁছতেই নায়িকাকে নিয়ে কিছুক্ষণের জন্য শপিংয়ে বেরিয়ে পড়লেন জিত্‍। বিস্টার ভিলেজে শপিং যেন মিস না করেন নায়িকা, সাজেশন ছিল নায়কের। পরদিনই শুভশ্রী বিস্টার ভিলেজের প্রাডা, ডিকেএনওয়াই-এর মতো বিভিন্ন ব্র্যান্ড স্টোর থেকে প্রচুর শপিং করে ফিরলেন।

অক্সফোর্ড সাকার্সের ব্যস্ত রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে জিত্‍ তখন লন্ডন শিডিউলের শেষ শট দিচ্ছেন৷ পাশের স্টোরে শপিং সেরে বেরিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন শুভশ্রী। চেঁচিয়ে বলছেন, ‘জিত্‍‌ ‍, জিত্‍ …’ রাস্তার ওপর বেশ কিছু সাহেব তখন অবাক দৃষ্টিতে দেখছেন ছবির শ্যুটিং। এক ব্রিটিশ ভদ্রলোক জিতের দিকে আঙুল দেখিয়ে শুভশ্রীকে জিজ্ঞেস করে বসলেন, ‘উনি কে হন আপনার? হাজব্যান্ড?’ সিগনেচার হাসি হাসতে লাগলেন নায়িকা।

কলকাতার বাইরে এটাই যে উপভোগ্য! তারকাদের ওপর ‘ডুজ অ্যান্ড ডোন্টস’-এর বোঝাটা ক’দিনর জন্য একটু হালকা হয়। কিন্তু শেষ শট হতে না হতেই হাজির জিতের এক বাংলাদেশি ফ্যান। জিতের জন্য শপিং করে এনেছেন। যদিও নায়ক সেই উপহার নিতে রাজি হননি। ছেলেটি লন্ডনে রেস্তোরাঁয় কর্মরত। জিতের অনেক ছবির সংলাপ তার মুখস্থ…

মুখ্যমন্ত্রী যখন শহরকে লন্ডনের মতো তৈরি করার কথা ভাবেন, তখন লন্ডনেও নেমে আসে একটুকরো কলকাতা…জিত্‍ বলেন, ‘আরে, আমাদের কলকাতার সব আড্ডা দেওয়ার লোকগুলো তো লন্ডনে চলে এল!’