মেইন ম্যেনু

লন্ডনে ‌‘গোপন’ সম্পদের পাহাড় গড়ছেন প্রিয়াঙ্কার স্বামী, তদন্তে রহস্য

তিনি গান্ধী পরিবারের জামাতা। সোনিয়া গান্ধীর মেয়ের শিল্পপতি স্বামী। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর স্বামী রবার্ট ভদ্র। টানা ১০ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকার পর ছিটকে পড়েছে শাশুড়ির দল ভারতের অন্যতম শীর্ষ রাজনৈতিক দল কংগ্রেস। এখন জানা যাচ্ছে, ভদ্র বিতর্কিত অস্ত্র ব্যবসায়ীর মাধ্যমে লন্ডনে বেনামে বাড়ি কিনেছিলেন! কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির রিপোর্টে এমনই সম্ভাবনার কথা অর্থমন্ত্রণায় সূত্র জানিয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থা এবং আয়কর দফতর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের কাছে সম্প্রতি দু’টি রিপোর্ট জমা দিয়েছে বলে একাধিক টিভি চ্যানেলের দাবি। রিপোর্টে জানানো হয়েছে, বিতর্কিত অস্ত্র ব্যবসায়ী সঞ্জয় ভাণ্ডারীর মালিকানাধীন ১৮টি জায়গায় সম্প্রতি হানা দিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। সেগুলির মধ্যে লন্ডনের ব্রায়ানস্টোন স্কোয়ারে ১২, এলারটন হাউস ঠিকানার বাড়িটি ২০০৯ সালের অক্টোবরে ১৯ লক্ষ পাউন্ডে কেনা হয়েছিল। সেটি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল ২০১০ সালের জুন মাসে। তার আগে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর জামাই রবার্ট এবং তাঁর সহকারী মনোজ অরোরার সঙ্গে সঞ্জয়ের এক আত্মীয় সুমিত চাড্ডার বেশ কয়েকটি ইমেল চালাচালি হয়। সেগুলিতে বাড়ির দাম মেটানো এবং মেরামতির খরচ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।

একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১০ সালের ৪ এপ্রিল রবার্টকে একটি ইমেল পাঠিয়েছিলেন লন্ডননিবাসী সুমিত। সেখানে বাড়ি মেরামতির অগ্রগতি সম্পর্কে জানিয়ে প্রয়োজনীয় খরচ চেয়েছিলেন তিনি। রবার্ট জানিয়েছিলেন, তিনি বিষয়টি দেখবেন। ভবিষ্যতে তাঁর সহকারী মনোজ যোগাযোগ রাখবেন সুমিতের সঙ্গে। পরে মনোজ ‘একজিম রিয়েল এস্টেটে’র ইমেল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সুমিতের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

সঞ্জয়কে জেরার সময় তদন্তকারীরা জানতে চেয়েছিলেন, বাড়িটি বিক্রির মাধ্যমে রবার্ট আর্থিকভাবে উপকৃত হয়েছিলেন কি না। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ‘না’ বলেননি সঞ্জয়। জানিয়েছেন, বাড়িটির নথি দেখেই তাঁর পক্ষে এ ব্যাপারে বলা সম্ভব।

রবার্টের আইনজীবীদের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, লন্ডনের সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় ‘প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ’ মালিকানায় রবার্টের কোনও বাড়ি নেই। সঞ্জয়ের সঙ্গে রবার্ট বা তাঁর সহকারীর আর্থিক লেনদেনও হয়নি।