মেইন ম্যেনু

লবণ শিল্পকে বাঁচাতে গুনগত মান ঠিক রেখে পরিপক্ক লবণ উৎপাদন বাড়াতে হবে

ফয়েজুল ইসলাম রানা, টেকনাফ : টেকনাফে লবন কেন্দ্রের সাদা, দানাদার ও পরিপক্ক লবন চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে উদ্যোক্তা ও লবন চাষীদের ২ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্স-২০১৬ শুরু হয়েছে। ৯ মে সোমবার সকাল ১১ টায় উপজেলা মিলনায়তনে কক্সবাজার বিসিক এর উপ মহা ব্যবস্থাপক মোঃ আবছার উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও এসিসি মন্জুর আলমের পরিচালনায় ১ম দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অথিতি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শফিউল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শফিক মিয়া, মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ হুমায়ুন মোর্শেদ। এছাড়া বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন বিভাগের সমন্বয় কর্মকর্তা মোঃ শামীম আলম, গবেষনা বিভাগের সমন্বয় কর্মকর্তা রিদুয়ানুর রশিদ, সাংবাদিক হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম। সভায় বক্তারা বলেন, লবন শিল্পের জন্য খ্যাত টেকনাফ, কক্সবাজার, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী থেকে উৎপাদিত লবন দেশের চাহিদা মেঠাতে সক্ষম। বিদেশ থেকে লবন আমদানি না করতে গুনগত মান ও পরিপক্ক লবন উৎপাদন করতে হবে। যদি পরিপক্ক লবন উৎপাদনে ব্যর্থ হয় তাহলে ক্রয়কারীরা বিমুখ হয়ে বিদেশ থেকে আমদানির দিকে ঝুঁকে পড়বে। ফলে দেশের লবন চাষীরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে এবং কর্মসংস্থান হারাবে। তাই কক্সবাজারের লবন শিল্পকে বাাঁচাতে গুনগত মান ঠিক রেখে পরিপক্ক লবন উৎপাদন বাড়াতে হবে। লবন শিল্পের উন্নয়ন কর্মসূচী কর্তৃক উদ্ভাবিত পলিথিন পদ্ধতিতে লবন উৎপাদনের লক্ষে বিসিকের লবন প্রদর্শনী কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রদর্শিত পলিথিন পদ্ধতিতে সাদা লবন উৎপাদন পদ্ধতি অনুসরন করে লবনের গুণগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব। সাদা দানাদার ও পরিপক্ক লবন উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের লবনের চাহিদা পুরন করে লবন আমদানি নিরুৎসাহিত করে কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচাতে সকল লবন উদ্যোক্তা, চাষীসহ সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসতে হবে। জানা গেছে, বাংলাদেশে বর্তমানে ১৬ লক্ষ মেট্রিক টন লবনের চাহিদা রয়েছে। তম্মধ্যে চলতি মৌসুমে ১৪ লক্ষ মেঃ টন লবন উৎপাদিত হয়েছে। তবে চলতি বছরে ১৮ মেঃ টন (পরিশোধিত) লবন লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।