মেইন ম্যেনু

‘লাজ লজ্জার বালাই থাকলে কামরুলের পদত্যাগ করা উচিত’

লাজলজ্জার বালাই থাকলে পচা গম আমদানির ঘটনায় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড আসাদুজ্জামান রিপন।

মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন এ অভিযোগ করেন।

আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, আমরা আগেই বলেছি কামরুল ইসলামকে স্বপদে বহাল রেখে তদন্ত সঠিক হবে না। কামরুল ক্ষমতায় থেকে একটি লোকদেখানো তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যাতে কোন সঠিক তথ্য উঠে আসে নাই। লোকদেখানো তদন্ত কমিটিতে ৩১টি গুদামের মধ্যে ৮টি গুদামের গম খারাব এসেছে। বাকী গুরোর গম ভাল বলে দাবি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার মানুষের সাথে মসকরা করছে। আমদানী করা পচা গম পুলিশকে দিয়েছিল সরকার। পুলিশ সাহসের সাথে পচা গম ফেরত দিয়েছে। সেই পচা গম গরীব মানুষকে দেওয়া হচ্ছে। তাহলে এ সরকার কি ধণীদের সরকার। আমদানী করা গম ওজনে কম, মান ভাল না হওয়ায় কেন তা ফেরৎ দেওয়া হল না। সরকার কাদের স্বার্থে এই পচা গম ক্রয় করছে।

রিপন বলেন, বর্তমান ক্ষমতাসীনদের আমলে আইনের হাতের চেয়ে প্রশাসনের হাত বড় বিধায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা মুক্তি পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, আইন নিজস্ব গতিতে চলছে না। বিচার বিভাগ স্বাধীন নয়। মির্জা ফখরুলের মুক্তি পেতে কোন বাধা ছিল না। তিনি সব মামলায় জামিন পেয়েছেন। সরকার পক্ষ জামিন বাতিলের আবেদনের পর প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে জামিন বহাল থাকে। সরকার পক্ষ চেম্বারজজ আদারতে আবার আবেদন করে মির্জা ফখরুলের মুক্তিতে বাধা সৃষ্টি করছে।

তিনি বলেন, সরকার যদি মনে করে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে দুর্বল করবে তাহলে তারা ভুল করবে। মিথ্যা মামলায় বিরোধী দল দুর্বল হয় না বরং সরকারই দুর্বল হয়।

তিনি আরও বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকারের মন্ত্রী পরিষদ থেকে একজন দুর্নীতি বাজ মন্ত্রীকে বাদ দিলে সরকারের কোন ক্ষতি হয় না। বরং সরকারের ইমেজ বাড়ে। মদুর্নীতিবাজ ত্রানমন্ত্রী মোফজ্জেল হোসেন মায়াকে মন্ত্রী পরিষদে বহাল রাখায় সরকারের জনপ্রিয়তা কমেছে। যারা জনগণের পকেট কেটে নিজেদের পকেট ভারী করে তারা সরকারে থাকলে জনগণ ও সরকারের ক্ষতি হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, সহ-দফতর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহীন, নির্বাহী কমিটির সদস্য ফোরকান ই আলম প্রমুখ।