মেইন ম্যেনু

লামায় পাহাড় ধস ও বন্যার্তদের পাশে প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর

আল্লাহ আমার প্রাণ নিয়ে যাক তারপরেও বান্দরবানের কোন মানুষের যাতে বন্যায় ও পাহাড় ধসে প্রাণ না হারায়। আমরা ত্রাণ ও আর্থিক সহযোগীতা করতে পারবো কিন্তু একজন মানুষের প্রাণ ফিরিয়ে দিতে পারবো না। অতিবৃষ্টিতে পাহাড়ে বসবাস না করে প্রয়োজনে সরকারী আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসবেন।

গত ১লা আগষ্ট শনিবার গভীর রাতে লামা বাজারের হাসপাতাল পাড়ায় পাহাড় ধসে নিহত ৬ জনের রুহের মাগফিরাত কামনা করি। বান্দরবান জেলাকে দেশের কাছে দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরতে সকলের একান্ত সহায়তা কামনা করছি। পর পর তিনবারের বন্যায় যারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তাদের পাশে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিনিধি হিসেবে আছি ও থাকবো। মাতামুহুরী নদীর গতিপদ পরিবর্তন করে লামা উপজেলার বন্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে। লামায় পাহাড় ধসে নিহত, আহত ও বন্যায় দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।

বুধবার ৫ আগষ্ট লামা উপজেলা পরিষদের চত্বরে সাম্প্রতিক সময়ে লামা উপজেলায় ভয়াবহ পাহাড় ধস, তিনবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নগদ টাকা, ঢেউটিন, চাউল ও সোলার বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। জেলা পরিষদের সদস্য জহিরুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খালেদ মাহমুদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হারুণ অর রশীদ, বান্দরবান পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, আলীকদম সেনা জোনের মেজর মোঃ আরিফ হাসান(টুআইসি), এলজিইডি জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক লামা উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, লামা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী, লামা পৌরসভা মেয়র আমির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রহিম চৌধুরী, সহ-সভাপতি ইসলাম বেবী, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষিপদ দাস, জেলা পরিষদ সদস্য টিং টিং মার্মা, ফাতেমা পারুল, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বাথোয়াইচিং মার্মা সহ প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিদ্যালয় ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাঝে ২৩টি সোলার, পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্থ ৩৬ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ ৩ হাজার টাকা, ৮শত জন বন্যার্তদের মাঝে ১০ কেজি করে চাউল, পাহাড় ধসে নিহত ৬জন প্রত্যেককে ১০ হাজার করে ৬০ হাজার টাকা, আহত ৫জন প্রত্যেককে ৫ হাজার করে ২৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, তিনবারের বন্যায় লামা উপজেলাবাসী ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে জর্জরিত হয়েছে। তাই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রামীণ ব্যাংক সহ সকল সরকারী বে-সরকারী ঋণদান প্রতিষ্ঠানকে আগামী তিন মাস কোন রকম ঋণের কিস্তি (টাকা) উত্তোলন না করার জন্য অনুরোধ করেন।