মেইন ম্যেনু

লামায় মিথ্যা মামলার থেকে রেহাই পেতে ক্ষতিগ্রস্থদের সংবাদ সম্মেলন

মামলার রায় বিপক্ষে যাওয়ায় বিবাদীর ওয়ারিশ মোঃ নুরুচ্ছফা কর্তৃক পরিকল্পিত ঘটনা সাজিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে লামা সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড লাইন ঝিরি পশ্চিম পাড়ার মোঃ আছাদল হক এর ছেলে মোঃ নুর আলম। ১১ জুন বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ঘটিকার সময় লামা রিপোর্টার্স ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগকারীর লিখিত অভিযোগে জানান, আমার পার্শ্ববর্তী আর-৪৬১ নং হোল্ডিং এর মূল মালিক মজিবল হক থেকে আমার বাবা মোঃ আছাদল হক গত ২৬ এপ্রিল ১৯৯৪ইং তারিখ বিক্রয় বায়নানামা দলিল ২১৮/৯৪ মূলে দুই একর বায়ান্ন শতক ও ১১ এপ্রিল ১৯৯৫ইং তারিখ বায়নানামা দলিল ২১১/৯৫ মূলে তিন একর জমি ক্রয় করে এবং ভোগদখলে আছি। উক্ত ক্রয়কৃত জায়গা নিজের দাবী করে আমার পার্শ্ববর্তী মোঃ নুরুচ্ছফা পিতা- মৃত মোঃ আসাদুজ্জামান এর সাথে জায়গা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের পরিবারের সাথে মামলা মোকাদ্দমা চলছে। দীর্ঘদিন আদালতে মামলা পরিচালনা শেষে আমরা রায় পায়।

এরপ্রেক্ষিতে ১০ জুন ২০১৫ইং জর্জ কোর্টের রায় মত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের উপস্থিতিতে কাগজ পত্র পর্যালোচনা করে যার যার জায়গা বুঝিয়ে দেয়ার কথা ছিল। স্থানীয় সিন্ধান্তেও মোঃ নুরুচ্ছফা হেরে যাওয়ার ভয়ে জায়গা হারাতে হবে চিন্তা করে আমাকে ও আমার পরিবারের সকলকে ঘায়েল করার জন্য পরিকল্পিত ভাবে ঘটনা সাজিয়ে আমাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর জন্য এ নাটকীয় ঘটনার সৃষ্টি করে।

৪জুন লামা থানার বিচারের বৈঠকের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্তক্রমে স্থানীয় সার্ভেয়ার দ্বারা ১০শে জুন আমায় সম্পত্তি আমাকে মাপঝোক করে বুঝিয়ে দেয়ার কথা থাকে। মাপঝোক ঠেকাতে সে পরিকল্পনা মতে ৬ জুন শনিবার রাত ৮টার দিকে লামা পৌরসভার লাইনঝিরি নামক স্থানে আধাঁরে পরিকল্পিত ঘটনা সাজিয়ে আমাকে ও আমার পরিবারের সবাইকে দোষারোপ করে হয়রানী করার চেষ্টা করছে।

উক্ত জমির মামলার রায় আমার পক্ষে থাকায় মোঃ নুরুচ্ছফার উপর কোন প্রকার হামলা ও আক্রমন করার কোন কারণ থাকতে পারেনা। সেহেতু এই নাটকীয় মামলার হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অভিহিত সহকারে নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক আইনি সহায়তার কামনা করছি করছি।

এবিষয়টি নিয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।