মেইন ম্যেনু

লামায় রিপোটার্স ক্লাবকে জড়িয়ে ও ধানের শীষ প্রার্থীর বিরুদ্বে মিথ্যা লিপলেট বিতরণ

লামা পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মেয়র প্রার্থী আমির হোসেনের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো ও অন্য প্রার্থীকে সমর্থন বিষয়ে এলাকায় অদৃশ্য ব্যাক্তি দ্বারা বিলিকৃত লিপলেটটির বিষয়ে রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি, সম্পাদক ও অন্য কোন সদস্যরা অবগত নয়। ২৮ ডিসেম্বর লামা রিপোর্টার্স ক্লাবে কোন সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। বিষয়টি মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

এবিষয়ে লামা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সম্পাদক বলেন, ২৮ ডিসেম্বর বিএনপি’র প্রার্থী রিপোর্টার্স ক্লাবে কোন সংবাদ সম্মেলন করেনি। কাউকে এই লিপলেট বিলি করতে দেখা গেলে তাদের আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করার অনুরোধ করছি।

এবিষয়ে সাইকেল প্রতীকের জেপি প্রার্থী ফরিদ উদ্দিন মুঠোফোনে বলে, বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী আমাকে সমর্থন দেয়নি এবং লিপলেটের বিষয়টি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি এবিষয়ে অবগত নয়। বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী আমির হোসেন সংবাদ সম্মেলন করার বিষয়েও আমি কিছু জানিনা। তবে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় মানুষের হাতে হাতে লিপলেট গুলো দেখেছি। যারা লিপলেটটি ছাপিয়েছে ও বিতরণ করছে তাদেরকে প্রশাসন খুজে বের করা দরকার।

বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আমির হোসেন বলেন, অন্য প্রার্থীকে সমর্থন কিংবা প্রত্যাহার ও ২৮ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন বিষয়টি সম্পূর্ন মিথ্যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। একটি কু-চক্রি মহল নির্বাচনের আগে পরিবেশ ঘোলাটে করতে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। উক্ত বিষয়ে আমি আইনগত সহায়তা চেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনে সাথে যোগাযোগ করেছি।

লামা পৌরসভা নির্বাচন/২০১৫ এর রিটার্নিং অফিসার শফিকুর রহমান বলেন, মিথ্যা বানোয়াট কাগজপত্র ছেড়ে যারা সুষ্ট নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করবে তাদেরকে সনাক্ত আইনের আওতায় আনা হবে।

লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খালেদ মাহমুদ বলেন, বিএনপি’র প্রার্থী আমির হোসেন বিষয়টি আমাকে জানান যে, জেপি’র সাইকেল প্রতীকের প্রার্থী ফরিদ উদ্দিন আমার(আমির হোসেন) বিরুদ্ধে অপপ্রচার করতে সমগ্র পৌর এলাকায় ভূয়া মিথ্যা লিপলেট বিলিয়ে বেড়াচ্ছে। আমি ফরিদ উদ্দিনকে আমার কার্যালয়ে ডেকে আনি এবং এক ঘন্টার মধ্যে লিপলেট কার কাছ থেকে পেয়েছে তাকে আমার কার্যালয়ে উপস্থিত করতে নির্দেশ দিয়েছি।