মেইন ম্যেনু

লিপিস্টিক সম্পর্কে এই ভয়াবহ তথ্যগুলাে জানেন?

লিপস্টিক নিয়ে কঠোর হচ্ছে ভারত সরকার। কোন লিপস্টিকে ক্ষতিকারক কী কী পদার্থ রয়েছে, তা পরীক্ষা করে দেখতে চায় সরকার। ক্রেতাসুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে জানিয়েছেন, সহনমাত্রার থেকে বেশি পরিমাণে সিসা থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। লিপস্টিক ব্যবহারের কারণেও অনেক ক্ষতি হতে পারে। তাহলে জেনে নেয়া যাক সেই বিষয় সম্পর্কে।

১. লিপস্টিকে একাধিক ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। খুব বেশি লিপস্টিক ব্যবহার করলে অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে। প্রথমে সমস্যা শুরু হয় ঠোঁট চুলকনো দিয়ে। এর পরে ক্রমশ ঠোঁট চিরতরে কালো হয়ে যেতে পারে।

২. খুব বেশি লিপস্টিক ব্যবহার করলে লিউকোডার্মার মতো রোগ হতে পারে।

৩. ক্যাডমিয়াম, পারদ এবং অ্যান্টিমনির মতো ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে লিপস্টিকে।

৪. খনিজ তেলের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে অনেক লিপস্টিকে। খনিজ তেল কিন্তু রীতিমতো ক্ষতিকারক।

৫. সিসা ছাড়াও লিপস্টিকে ফর্ম্যাল্ডিহাইড থাকে। সঙ্গে কার্সিনোজেনের মতো ক্ষতিকারক পদার্থের উপস্থিতিও অনেক ক্ষেত্রে মিলেছে।

৬. অনেক লিপস্টিকেই ক্ষতিকারক রাসায়নিকের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

৭. লিপস্টিক ঠোঁট থেকে অনেক সময়েই পেটে চলে যায়। বিশেষ করে দীর্ঘসময় ধরে লিপস্টিক ঠোঁটে থাকলে এই ব্যাপারটি ঘটতে পারে। ফলে, ক্ষতি অনিবার্য।

৮. যারা রোজ লিপস্টিক ব্যবহার করেন, তাদের শরীরে অ্যালুমিনিয়াম, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজের মতো ধাতুর পরিমাণ বেড়ে যায়। এর ফলে অনেক বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

৯. অনেক ক্ষেত্রেই লিপস্টির ঠোঁটে নিয়েই অনেকে ঘুমিয়ে পড়েন। এটি সবথেকে ক্ষতিকারক। আগে যে সব বিপদের কথা বলা হয়েছে, তার প্রতিটিই এই ক্ষেত্রে হতে পারে।-এবেলা