মেইন ম্যেনু

লেক তো নয় যেন টাকার খনি!

প্রাচীনকালে রাজাদের যুগে মাটির নীচে লুকিয়ে রাখা হত রাজঐশ্বর্য। আজও সেসব বহুমূল্য ধন কোথাও কোথাও রয়ে গেছে বলে অনেকেরই ধারণা। তবে সাধারণ বুদ্ধিজীবী মানুষ অবশ্য এসবকে ভ্রান্ত ধারণা বলে মনে করেন। কিন্তু পার্শ্ববর্তী ভারতেরই আছে এমন এক লেক, যেখানে কী না আছে টাকার খনি!

ভারতের হিমাচল প্রদেশের মান্ডি জেলা থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে রোহান্ডা। সেখান থেকে পাহাড়ি পথে বয়ে গেছে কামরুনাগ লেকের দিকে। লেকের দ্বারে যেতে কিছুটা পথ হাঁটতে হবে। ঘন জঙ্গল ও পাহাড় পেরিয়ে এই লেকের মধ্যে না কি আছে বিদেশি মুদ্রার সম্ভার।

সেখানকার কামরুনাগ বাবার দর্শন পেতে দূর দূর থেকে মানুষ হাজির হয়। এমন নাকি তার লীলা, মনের সব বাসনা তার দয়ায় পূর্ণ হয়ে য়ায়। তবে বছরের ১৪-১৫ জুনই বাবা কামরুনাগের দেখা মেলে।

মন্দিরের পাশেই রয়েছে কামরুনাগ ঝিল। প্রত্যেক বছর ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। মনের ইচ্ছে পূরণ করার জন্য ঝিলে সোনা, রুপো, টাকা দান করেন। যুগ যুগ ধরে এটাই এখানকার পরম্পরা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাবা কামরুনাগ বৃষ্টির দেবতা। স্থানীয়রা বলেন, বাবা নাকি কাউকে ফিরিয়ে দেন না। সবার সব ইচ্ছা পূরণ করেন। তবে তার জন্য সোনা, রুপো, টাকা পয়সা উৎসর্গ করতে হয় এই লেকে। নিজের অঙ্গ থেকে গয়না খুলে দেন দর্শনার্থীরা। এমন পরম্পরা আজও চলে আসছে। ভগবানের নামে উৎসর্গ করা এইসব বহুমূল্য জিনিস কখনও লেকে থেকে তোলা যায় না। কারণ তা তখন দেবতাদের সম্পত্তি হয়ে যায়।