মেইন ম্যেনু

শঙ্কার মধ্যেও তাজিয়া মিছিলে জনস্রোত

শঙ্কার মধ্যেই রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল করেছে শিয়া সম্প্রদায়। ইরাকের কারবালা প্রান্তরে মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) এর দৌহিত্র ইমাম হোসেন (রা.) এর হত্যার দিনটি স্মরণে তারা এই তাজিয়া মিছিল বের করেন। তবে শঙ্কা থাকলেও মিছিলে কমতি ছিল না মানুষের।মিছিলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

তবে তাজিয়া মিছিলে অংশ নেয়া প্রতিটি মানুষের চেহারায় ছিল শোকের ছায়া। শুক্রবার রাতে পুরান ঢাকায় হোসনি দালানে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতি চলাকালীন বোমা হামলায় হতাহতের ঘটনায় তারা ছিলেন বিক্ষুব্ধ।

পুরান ঢাকার হোসনি দালানের ইমামবাড়া থেকে বেলা পৌনে ১১টার দিকে তাজিয়া মিছিল শুরু হয়। ব্যানার ও সুদৃশ্য পোশাক পরে হাজারও মানুষ এই তাজিয়া মিছিলে যোগ দেন।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে অবশেষে বেলা ৩টার দিকে মিছিলটি ধানমণ্ডি ঝিগাতলা লেক পাড়ে গিয়ে শেষ হয়।

নিরাপত্তার জন্য মিছিলের সঙ্গে ছিল অতিরিক্ত পুলিশ। মিছিলকারী ছাড়া তাজিয়ার আশেপাশেও কাউকে ভিড় করতে দেয়া হয়নি। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে যাকেই সন্দেহ হযেছে পুলিশ তল্লাশি করেছে।

নিরাপত্তা বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বলেন, এখানে নিরাপত্তার নিশ্চিত করতে প্রায় দুই হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। চারদিকেই নজরদারি করা হচ্ছে। মিছিলের মধ্যেও সাদা পোশাকে পুলিশের সদস্যরা আছেন।’

মিছিলে অংশ নেওয়া ওবায়দুল বলেন, গতকাল রাত পৌনে দুইটার দিকে তাঁরা রাতের মিছিলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় পাঁচটি বোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে ছোট বড় অনেকে আহত হন। তিনি বলেন, যদি আগে থেকেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকত, তাহলে হয়তো এ রকম ঘটনা ঘটত না।

তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, যারা ইয়াজিদের বংশধর তারাই এই হামলা চালিয়েছে।

প্রসঙ্গত, পুরান ঢাকার হোসনি দালানে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় শুক্রবার গভীর রাতে বোমা হামলায় সাজ্জাদ হোসেন নামের এক কিশোর নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন ১০০ জনের বেশি।