মেইন ম্যেনু

শনাক্ত হয়নি কেউ, গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে যৌন হয়রানির ঘটনায় কাউকে শনাক্ত করা যায়নি উল্লেখ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। যদিও সিসি টিভি ফুটেজে নারীদের ওপর হামলে পড়ার দৃশ্য এসেছে।

২৪ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) দীপক কুমার দাস। গত ১৪ এপ্রিলের ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন দীপক কুমার।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যেহেতু ওই ঘটনায় দায়ীদের কাউকে শনাক্ত করা যায়নি তাই কাউকে গ্রেপ্তারও করা যায়নি।

চলতি বছর পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণ উৎসবে যোগ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যৌন হয়রানির শিকার হন কয়েকজন নারী। নির্যাতন ঠেকাতে গেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি লিটন নন্দীর হাত ভেঙে দেয় হামলাকারীরা।

সেই ঘটনার ভিডিও ও ছবি গণমাধ্যমে এলেও পুলিশ বলেছিল, নিপীড়নের শিকার নারী বা ঘটনার সময় আশপাশে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী কারো কাছ থেকে কোনো তথ্য বা সহযোগিতা তারা তদন্তের ক্ষেত্রে পাননি; বরং ফোনে গালমন্দ শুনতে হয়েছে। ওই ঘটনায় শাহবাগ থানার এক এসআইকে প্রত্যাহারও করা হয়।

ওই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি রুলও জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। রুলে আদালত জানতে চান, এ ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না। ১৬ এপ্রিল এ ঘটনায় শ্লীলতাহানি ও এতে সহায়তার অভিযোগ এনে কারো নাম বা আসামির সংখ্যা উল্লেখ না করে একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ।

ওই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবিতে ছাত্র ইউনিয়ন মে মাসে ডিএমপি কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি দিলে লাঠিপেটা ও জলকামান ছুড়ে তা পণ্ড করে দেয় পুলিশ।