মেইন ম্যেনু

শাহাদাতকে কোথাও পাচ্ছে না পুলিশ!

শিশু গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপিকে নির্যাতনের মামলায় শাহাদাত এখন পলাতক। স্ত্রী ও একমাত্র সন্তানকে নিয়ে পেসার শাহাদাত হোসেন কোথায় অবস্থান করছেন তা তার পরিবারও জানে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্যরা গত ১৭ দিনেও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

পুলিশ গ্রেপ্তার করতে না পারায় গুঞ্জন ছড়িয়েছে- জাতীয় দলের ক্রিকেটার হওয়ায় শাহাদাত হোসেন এ দফায় বেঁচে যাচ্ছেন। তবে পুলিশ বলছে ভিন্ন কথা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেছেন,‘আমরা শাহাদাতের বাবার বাসায় ও তার শ্বশুরের বাসায় অভিযান চালিয়েছি। কিন্তু তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। সে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হোক আর না হোক, আইনের চোখে সে অভিযুক্ত। আশা করছি, শিগগিরই তাকে ট্র্যাক করতে পারব এবং আদালতে হাজির করব।’

প্রসঙ্গত, ৬ সেপ্টেম্বর মিরপুর থানায় শাহাদাত একটি জিডি করেন। জিডিতে তিনি বলেন, তার বাসার গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একই দিন রাত ৮টার দিকে মিরপুরের পল্লবী এলাকা থেকে হ্যাপিকে উদ্ধার করে পুলিশ। মিরপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে হ্যাপি অভিযোগ করেন, শাহাদাতের বাসায় তার ওপর নির্যাতন চালানো হতো। পুলিশ হ্যাপিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে।

পরে শিশু নির্যাতনের দায়ে শাহাদাতের বিরুদ্ধে খন্দকার মোজাম্মেল হক নামের এক ব্যক্তি থানায় মামলা দায়ের করেন। এর পর থেকে স্ত্রীসহ পলাতক রয়েছেন শাহাদাত।

খন্দকার মোজাম্মেল হক বলেন,‘আমি আমার বাসার সামনে মেয়েটিকে দেখতে পাই। সে তখন গুরুতর আহত অবস্থায় ছিল। সে আমাকে বলে, তাকে শাহাদাত হোসেন নির্যাতন করেছে। তাকে নিয়ে থানায় যাই ও মামলা করি। এটা খুব দুঃখজনক যে তাকে(শাহাদাত) এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।’

ক্রিকেট থেকে পেসার শাহাদাত হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিসিবি (বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড)। বিসিবি আগেই জানিয়েছে, এ ঘটনায় তারা শাহাদাতের পাশে থাকবে না।