মেইন ম্যেনু

শাহাদাতের ঘটনা নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় তোলপাড়

রোববার রাতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সয়লাব। বাংলাদেশ দলের পেসার শাহাদাত হোসেন তার বাসার গৃহকর্মীকে নির্যাতন করেছেন। রাতের তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। তার আগে বিকেলে সে থানায় সাধারণ ডায়রি করে। সেখানে উল্লেখ করে তার বাসার কাজের মেয়ে মাহফুজা আক্তার হ্যাপিকে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে পুলিশ হ্যাপিকে উদ্ধার করে। হ্যাপি পুলিশকে জানায় শাহাদাত ও তার স্ত্রী তাকে ব্যাপক মারধর করেছে। আরো মারধর করবে সেই ভয়ে সে বাসা থেকে পালিয়েছে। পরে পুলিশ তাকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। এদিকে রাতেই শাহাদাত হোসেন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন এক প্রতিবেশি। এই খবর বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমগুলোতে ফলাও করে প্রচার করে। শুধু বাংলাদেশ কেন? বিশ্ব গণমাধ্যমগুলোতেও তোলপাড় শুরু হয়েছে শাহাদাতের ঘটনা নিয়ে।

ব্রিটেনের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল বিষয়টি নিয়ে শিরোনাম করেছে, ‘গৃহপরিচারিকাকে নির্যাতনের অভিযোগে শাহাদাতের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।’

বিস্তারিততে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা তাদের ১১ বছর বয়সী গৃহপরিচারিকার উপর শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে। এজন্য এই দম্পতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি শিরোনাম করেছে ‘গৃহপরিচারিকা নির্যাতনের কারণে বাংলাদেশি ক্রিকেটার শাহাদাতের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি’। ভেতরে তারা লিখেছে , ‘রাজধানী ঢাকার রাস্তায় পুলিশ আহত ১১ বছর বয়সী এক মেয়ে শিশুকে কুড়িয়ে পায়। এরপর তাকে জেরা করলেই বেরিয়ে আসে শাহাদাতের প্রসঙ্গ। পরে শাহাদাত হোসেন ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করার জন্য তার বাসায় তল্লাশি চালানো হলেও, তাদেরকে সেখানে পাওয়া যায়নি।’

ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট ক্রিকইনফো তাদের শিরোনামে লিখেছে, ‘শাহাদাতের বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলা’। ভেতরে লেখা হয়েছে, ‘গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে শাহাদাত ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঢাকার একটি আদালত এই মামলা গ্রহণ করে ১২ অক্টোবরের মধ্যে তার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন।’

দক্ষিণ আফ্রিকার ‘ফাস্ট পোস্ট’ লিখেছে, ‘গৃহপরিচারিকাকে নির্যাতনের অভিযোগে শাহাদাতের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি’।

ভারতের আরেকটি সংবাদমাধ্যম ক্রিকেট কান্ট্রি লিখেছে, ‘১১ বছর বয়সী পরিচারিকাকে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হবেন শাহাদাত।’ উইজডেন ইন্ডিয়া নামের আরো একটি সংবাদমাধ্যমও একই ধরনের খবর প্রকাশ করেছে।