মেইন ম্যেনু

শিক্ষার্থীকে গলা কেটে হত্যায় ৪ বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ

রাজধানীর কদমতলীর দনিয়া এলাকায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থী স্বাধীন হত্যাকাণ্ডের রহস্য এখনো উদঘাটিত হয়নি।

মঙ্গলবার পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলাও করেনি নিহতের স্বজনরা। এদিকে পুলিশ নিহত স্বাধীনের চার বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মঙ্গলবার পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের ক্লু পাওয়া যায়নি। তবে বন্ধুদের সঙ্গে বিরোধ এবং পারিবারিক কলহ- এ দুটি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়েই তদন্ত চলছে।

কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াজেদ আলী বলেন, ‘এখনো আমরা কিছু বের করতে পারিনি। নিহতের পরিবার লাশ দাফন করতে গ্রামে গেছে। তারা আসলে মামলা হবে। হয়তো তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য পাওয়া যেতে পারে। আমরা স্বাধীনের চার বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। তাকে মারার কারণ জানা যাচ্ছে না। তবে তার বাবা-মার মধ্যে ঝামেলা ছিল। খারাপ বন্ধুও থাকতে পারে। এসব আমরা খতিয়ে দেখছি।’

গত সোমবার সকালে দক্ষিণ দনিয়ার ৭৯৮/২ নম্বর বাড়িতে গলাকেটে হত্যা করা হয় স্বাধীনকে। সে দনিয়ার সমিরন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে সম্প্রতি শেষ হওয়া এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।

সূত্র জানায়, হত্যার সময় স্বাধীনের বাবা সোহেল মিয়া ও মা রিনা বেগম বাসায় ছিলেন না। সোহেল শ্যামপুরের একটি ফিলিং স্টেশনের কর্মী। তিনি মাদকাসক্ত। স্ত্রীর সঙ্গে সোহেলের কলহ চলছিল। কয়েকদিন আগে কবুতর চুরিকে কেন্দ্র কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে স্বাধীনের কথা কাটাকাটি হয়। এসব কারণে দুই বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।

নিহতের মামা রিপন বলেন, ‘মঙ্গলবার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে স্বাধীনের লাশ জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।’