মেইন ম্যেনু

শিক্ষার্থীদের “সেক্স ক্যাপিটাল” নটিংহাম

উচ্চ শিক্ষার তীর্থস্থান বলা যায় ইউরোপ ও আমেরিকাকে। আর ইউরোপের মধ্যে বিখ্যাত যতগুলো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে তার মধ্যে যুক্তরাজ্য অন্যতম। ক্যামব্রিজ, অক্সফোর্ডের মতো নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যুক্তরাজ্যেই। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থীরা শুধু পড়াশুনা নিয়েই ব্যস্ত থাকে না পাশাপাশি জীবনটাকেও উপভোগ করে। নিরাপদ যৌন সম্পর্কেও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে। সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া এক পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, নটিংহাম শহরের শিক্ষার্থীরা যৌন সম্পর্ক স্থাপনের দিক দিয়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ডেটিং সাইট শাগঅ্যাটইউনি ডটকমের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে আসে। আর এই প্রতিবেদনেই নটিংহামকে “সেক্স ক্যাপিটাল” হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে যে সব শিক্ষার্থী তাদের এই ওয়েবসাইটে ঢোকে তাদের মধ্যে নটিংহ্যামের শীক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি।

2_95096_1
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, নটিংহাম থেকে প্রতিদিন এক হাজার ৪৭৭ জন ডেটিং ওয়েবসাইটটিতে ঢুকে থাকে।এর পরের অবস্থানে রয়েছে লিডস বিশ্ববিদ্যালয়।এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিদিন এক হাজার ৪১০ জন এই সাইটে প্রবেশ করে। বিখ্যাত অক্সফোর্ড শহর থেকে এক হাজার ৩৮৯ জন শিক্ষার্থী এই সাইট ব্যবহার করে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

ডেটিং সাইটটি জানায়, এই পরিসংখ্যান নটিংহামের শিক্ষার্থীদের শীর্ষস্থানে দেখে তারা মোটেও অবাক নন।তারা আগেই নটিংহামকে ‘দেশের সেরা যৌন সম্পর্ক স্থাপনকারী শহর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

কেন নটিংহামের শিক্ষার্থীরা এতো যৌনতায় লিপ্ত হয়? এই প্রশ্নের জবাবে এক শিক্ষার্থী বলেন, এখানকার শিক্ষার্থীরা পার্টি করতে খুব পছন্দ করে। সবাই খুব ফুরফুরা মেজাজে থাকে যার কারণেই শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারটা বেশি ঘটে।

ডেটিং সাইটির প্রতিষ্ঠাতা তরুণ উদ্যোক্তা টম থোরলো(২৫) বলেন, শিক্ষার্থীরা শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারে বেশ আগ্রহী।আমরা এখানে নিরাপদ যৌন সম্পর্কের ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করি।

টম আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের মৌলিক অংশ হচ্ছে সেক্স। এটা খুবই চমৎকার যে, জীবনকে উপভোগ করতে প্রতিদিন অনেক শিক্ষার্থী আমাদের সাইট শাগঅ্যাটইউনি ডটকম ব্যবহার করছে।

অন্যান্য ডেটিং সাইটের মতো এখানে তেমন কড়াকড়ি নেই।