মেইন ম্যেনু

শিক্ষিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে যা করলেন প্রিন্সিপাল!

প্রতিদিনের মতোই সময় মতো স্কুল শুরু হয়েছিল। কিন্তু, কোনও এক অজানা কারণে হঠাত্ই সকাল ১০টার মধ্যে স্কুলে ছুটি দিয়ে দেন প্রিন্সিপাল। নির্ধারিত ছুটির সময়ের তিন ঘণ্টা আগেই বাড়ি পাঠিয়ে দেন ছাত্রছাত্রীদের। ভারতের মীরাটের বিজনোরের সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ঘটনা এটি। খবর এই সময়।

তবে মূল ঘটনা হলো, এত আগে ছেলেমেয়েরা বাড়ি ফিরছে দেখে রীতিমতো ঘাবড়ে যান অভিভাবকরা। খুদে পড়ুয়ারা স্কুল ছুটি হয়ে যাওয়ার কারণ বলতে না পারায়, কৌতূহলবশত বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তাঁরা স্কুলে ছুটে যান। তাঁদের সন্দেহ হয়, এইটুকু ছেলেমেয়েরা স্কুল পালিয়ে বাড়ি ফেরেনিতো?

এরপর সংশয় কাটে স্কুলে পৌঁছনোর পর। সেখানে গিয়ে তো চক্ষু চড়কগাছ অভিভাবকদের। তাঁরা বুঝতে পারেন, খুদে পড়ুয়ারা নয়, এই কীর্তি স্কুলের অল্পবয়সি প্রিন্সিপালের। অভিভাবকরা স্কুলে গিয়ে দেখেন প্রিন্সিপালের ঘর ভেতর থেকে লক করা। কোনওক্রমে উঁকিঝুঁকি মেরে অভিভাবকরা দেখতে পান পাশের এক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ঘরের ভিতরে রয়েছেন ওই স্কুলের প্রিন্সিপাল।

এই দৃশ্য চাক্ষুস করে যারপরনাই ক্ষিপ্ত অভিভাবকরা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ স্কুলে গিয়ে সেখান থেকে আটক করেন অভিযুক্ত প্রিন্সিপাল ও প্রধান শিক্ষিকাকে। অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রেমিকার সঙ্গে সময় কাটানোর জন্যই স্কুলে আচমকা ছুটি দিয়ে দিয়েছিলেন প্রিন্সিপ্যাল। পাবলিক প্লেসে অশ্লীল আচরণ করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৪ ধারায় FIR দায়ের করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে, তাঁদের তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডই ভোগ করতে হবে। পরে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয় দুই অভিযুক্তকে।

স্কুলটির দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্কেল অফিসার আরআর কাথেরিয়া জানিয়েছেন, ‘গ্রামবাসীরা দুজনকে ম্যাট্রেসে শুয়ে থাকতে দেখেছেন।’ অভিযুক্ত প্রিন্সিপাল ও প্রধান শিক্ষিকাকে চাঁদপুর থানায় নিয়ে যাওয়ার আগে স্কুলে হাজির হন SDM, বেসিক শিক্ষা অধিকারী ও গ্রামের মোড়ল।

বেসিক শিক্ষা অধিকারী রাজেশ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, ‘গুরুতর অপরাধ করেছেন দুজন।’ দুজনকেই বরখাস্ত করা হয়েছে। যদিও দুই অভিযুক্তই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। প্রিন্সিপালের বক্তব্য, ‘অভিযোগ ভিত্তিহীন। ওই মহিলা স্কুলে এসেছিলেন ঠিকই, কিন্তু বাকি সব অভিযোগ বানানো।’



« (পূর্বের সংবাদ)