মেইন ম্যেনু

শিথিল হচ্ছে শাহরুখ, সালমান, আমিরের নিরাপত্তা

মুম্বাইয়ের ক্রাইম ব্র্যাঞ্চ শাহরুখ, সালমানসহ বলিউডের নামি তারকাদের নিরাপত্তা কমিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি পরিচালক রাজ কুমার হিরানি এবং প্রযোজক বিধু বিনোদ চোপড়ার নিরাপত্তাও কমিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছেন।

সম্প্রতি এ তারকাদের এবং মুম্বাই শহরের অন্যান্য বিশেষ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার বিষয়ে তদন্ত শেষে মুম্বাই ক্রাইম ব্র্যাঞ্চ এ সিদ্ধান্তে আসেন বলে জানা গেছে। এর আগে গ্যাংস্টার রবি পূজারীর হিট তালিকায় এ ব্যক্তিদের নাম থাকায় তাদের নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল।

গত বছর প্রযোজক আলী মোরানির বান্দ্রার বাড়ির বাইরে তিন রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হলে- শাহরুখ খান, আমির খান এবং ফারাহ খানের নিরাপত্তা প্রদান দিয়ে আসছিল এই এজেন্সি। ধারণা করা হয়, যে তিন ব্যক্তি গুলি ছুঁড়েছিল তারা পূজারীর লোক।

নিরাপত্তা শিথিল সম্পর্কে মুম্বাই পুলিশের একজন জেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা তদন্ত করে দেখেছি, তাদের বিপদের কোনো সম্ভাবনা নেই। তারপর আমরা তাদের নিরাপত্তা শিথিলের সিদ্ধান্ত নেই। পূজারীকে নিয়ে তারকাদের আর ভয়ের কিছু নেই। আমরা বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করেছি। শহরের কোনো ক্ষতির আগেই পূজারী বাহিনির বেশির ভাগ লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে।’

জানা গেছে, নিরাপত্তা শিথিলের প্রস্তাবটি মুম্বাই পুলিশ কমিশনার রাকেশ মেহেরার কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি নিশ্চিত করলেই নিরাপত্তা শিথিলের বিষয়টি কার্যকর করা হবে।

এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘পুলিশ কমিশনার এ বিষয়ের সর্বেসর্বা। প্রথমে তার কাছ থেকে ক্রাইম ব্রাঞ্চের সুপারিশটি অনুমোদন করতে হবে। তিনি যদি মনে করেন তারকাদের নিরাপত্তার বিষয়টি কোনো সমস্যা করছে না তাহলে এটি চলতেই থাকবে।’

পুলিশের তথ্যমতে, এখন শাহরুখ, সালমান এবং আমিরকে দুজন পুলিশ এবং একটি গাড়ি প্রহরার মাধ্যমে নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। হিরানি এবং ফারাহকে শুধু গাড়ি প্রহরার মাধ্যমে নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি বলিউডের বেশ কয়েকজন তারকা পূজারী গ্যাংয়ের কাছ থেকে হুমকি পায়। সন্ত্রাসী ছোটা রাজনের দল ত্যাগ করে নতুন একটি দল তৈরি করে পূজারী। তারপর তার ব্যবসার মূল হাতিয়ার হিসেবে তারকাদের বেছে নেয়। গত বছর শাহরুখের রেড চিলিস প্রোডাকশনের অফিসে হুমকি দিয়ে একটি চিঠি পাঠায় পূজারী। সেখানে শাহরুখকে প্রযোজক মোরানির সঙ্গে কাজ করতে নিষেধ করা হয়।

এরপর পূজারীর দলের ১৩ জনকে একসঙ্গে গ্রেফতার করা হয়। পূজারী তারপর মুম্বাইয়ের অন্য জায়গায় পালিয়ে যায় এবং বিল্ডার্স এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের হুমকি দেওয়া শুরু করে।