মেইন ম্যেনু

শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ঘরমুখো মানুষের ঢল

আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে শুক্রবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের ২৩ জেলার অন্যতম প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ঘরমুখো যাত্রীদের ঢল দেখা গেছে। প্রিয়জনের সঙ্গে কোরবানির ঈদ উদযাপন করতে এসব মানুষ অতিরিক্ত ভাড়া এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ফেরি, লঞ্চ, সীবো্টে রওনা দিচ্ছেন গ্রামের পথে।

শিমুলিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন পাটোয়ারী জানান, শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ১৭টি ফেরির মধ্যে সবগুলো চলাচল করছে। ৫টি রো রো ফেরি পারাপার স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে।

তিনি আরো জানান,পণ্যবাহী যানবাহন ফেরিতে চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে যাত্রীদের চাপ কম থাকলেও ধারণক্ষমতা অনুযায়ী নেওয়া হচ্ছে। ফেরিগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঘাট ছেড়ে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যায়। তবে ঈদে যাত্রীদের চাপ স্বাভাবিকভাবেই বেশি রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আশা করা যায় পারাপারে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না। ঈদের আগেই পারাপার স্বাভাবিক রাখতে যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, সে অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে।

মাওয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোশারফ হোসেন জানান, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে যাবতীয় ব্যবস্থা শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার ভোর থেকেই ৪৫০টি ছোট গাড়ি, ৬০টির মতো বাস, পণ্যবোঝাই ট্রাক পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। সীবোট দিয়েই যাত্রীরা বেশি পারাপার হচ্ছেন। সীবোটের যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট না পরে পারাপার করতে দেওয়া হচ্ছে না। ধারণ ক্ষমতার অধিক যাত্রী নিয়ে যাতে কোনো নৌযান চলাচল না করে সেদিকে লক্ষ রাখা হয়েছে। পণ্যবাহী যানবাহনের তুলনায় পারাপারের অপেক্ষায় থাকা প্রাইভেট কারের সারি বেশি রয়েছে।

অন্যদিকে, নাব্য সংকট, প্রচন্ড ঢেউ কিংবা বৈরি আবহাওয়ার কোনো প্রভাব না থাকায় অনেকটা স্বস্থিতেই যাতায়াত করছেন যাত্রীরা। তবে যানবাহনের দীর্ঘ সারির কারণে যাত্রীদের কিছুটা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এছাড়া সীবোটের অনেক যাত্রীই লাইফ জ্যাকেট না পরেই পারাপার হচ্ছেন।