মেইন ম্যেনু

শিশুর প্রযুক্তিজ্ঞান বাড়াতে যা করবেন…

প্রযুক্তি নির্ভর এই যুগে ঘরের শিশুটি হোক প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন- এমনটি চান সব বাবা-মা। বাবা-মায়ের হাতের ফোনটির খুটিনাটি সব তার জানা। টেলিভিশন রিমোটের কোন নাম্বারে কোন চ্যানেল তাও তার মুখস্ত। কিন্তু প্রতিদিন বিজ্ঞানের ছোঁয়ায় আমাদের চেনা পৃথিবীর আমূল পরিবর্তন ঘটছে। ব্যক্তিগত বা কর্মক্ষেত্রে তার প্রভাব পড়ছে অনেক বেশি। আর তাই সেসব জায়গায় নিজেকে উপযুক্ত রাখতে হলে দরকার মৌলিক জ্ঞান। জীবনে প্রযুক্তি নির্ভর প্রতিষ্ঠা অর্জন করতেও এই জ্ঞানের বিকল্প নেই। সেজন্য ছোটবেলা থেকে থাকতে হবে দারুণ কিছু অভ্যাসের চর্চা। আর তাই সচেষ্ট হতে হবে বাবা মাকে।

হাতে দিন প্রযুক্তিনির্ভর উপকরণ

শিশুরা সব সময় প্রশ্ন করতে ভালোবাসে। এই বয়সটাই তো তাদের শেখার। জীবনে চলার শুরুতে পৃথিবীর সবকিছুর সঙ্গে তার পরিচয় হবে। নতুন ও অজানা কিছু দেখলেই তারা সেটা নিয়ে বাবা-মাকে প্রশ্ন করে। বাবা-মা সব কিছুর সঠিক উত্তর নাও জানতে পারেন। তাই বাসায় রাখুন বিজ্ঞান বিষয়ক ছবিযুক্ত মজার সব বই এবং ভিডিও। হতে পারে তা গাছ, পাখি বা প্রাণী বিষয়ক। এসব দেখে প্রকৃতির নানা জিনিসের সঙ্গে মিলিয়ে চিনতে শুরু করবে। আস্তে আস্তে তার জানার পরিধি বাড়বে। এতে যেমন তারা নতুন কিছু শিখতে পারবে, একইভাবে আগ্রহ জন্মাবে বই পড়ার প্রতিও।

খেলতে দিন ইচ্ছামতো

শিশুদেরকে নিজের মতোই শিখতে দিন। জোর করে তাদের কোন কিছু শেখাতে যাওয়া ঠিক হবে না। এতে তারা তো কিছু শিখবে না, শেখার আগ্রহও নষ্ট হয়ে। এতে করে ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। শিশুদের মস্তিষ্ক নিজ থেকেই বিকশিত হয় ও বিভিন্ন জিনিস শেখার জন্য প্রস্তুত হয়। তাই নতুন কোনো বিষয় জানার ক্ষেত্রে জোর জবরদস্তি নয়। বরং পর্যাপ্ত উপকরণ তার হাতের কাজে যোগাড় করে দেয়া কর্তব্য।

আনন্দদায়ক শেখার পদ্ধতি

শিশুদের শরীরের মতো মনও স্পর্শকাতর। তাই তাদের সঙ্গে যেকোনো আচরণে আমাদের সাবধান হওয়া চাই। এছাড়া বয়সের সঙ্গে শিশুর শেখার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে। তাই অভিভাবকদের উচিৎ সন্তানকে বয়সের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন বিষয় শিখতে উদ্বুদ্ধ করা। তার আনন্দের জায়গাটি খুঁজে বের করা। শিশুর মনের চাহিদা অনুসারে তার শেখার পরিবেশ গড়ে তোলা।