মেইন ম্যেনু

শীঘ্রই বাজারে আসছে ৩ কেজি ওজনের যান্ত্রিক গাড়ি

এবার কাঁধে ঝুলানোব্যাগে বহনযোগ্য ছোট এবং হালকা ওজনের গাড়ি আবিষ্কার করলেন ২৬ বছর বয়সী জাপানি প্রকৌশলী কুনিয়াকো সাইতো এবং তার দল। তার মতে, এটিই বিশ্বের প্রথম ব্যাগে বহনযোগ্য গাড়ি।

লিথিয়াম ব্যাটারিচালিত কোকো মটরসের এই বিস্ময়কর গাড়িটির আকৃতি ল্যাপটপের সমান এবং দেখতে ছোট তক্তার মতো মনে হয়। অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি পাতলা এই গাড়ির ওজন ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে দুই থেকে তিন কিলোগ্রাম হবে।

পাতলা অ্যালুমিনিয়ামের এই তক্তাটি দেখতে যতটা হালকা, ব্যবহারে তার চেয়ে অধিক শক্তিশালী, যা ১২০ কেজি পর্যন্ত ওজন বহন করতে পারে। চার্জ দেয়ার তিন ঘণ্টা পর গাড়িটির গতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ দশ কিলোমিটার, কখনো বার কিলোমিটার হয়। সাইতো আশা করছেন হুইলচেয়ার চালানোর মতো যথেষ্ট শক্তিশালী এই গাড়িটি অনেকেই ব্যবহার করবেন।

গাড়িটি একদম সাদামাটা। চালক এর ওপর দাঁড়ালেই গাড়ি নিজে নিজে চলতে শুরু করবে, চালক নেমে পরলে গাড়িটিও থেমে যায়। ব্যবহার শেষে ছোট ব্যাগে ভরে রাখা যাবে বিধায় পার্কিং এর জন্য কোন আলাদা জায়গা লাগবে না।

‘ইলেকট্রিক কার মটর কন্ট্রোল সিস্টেম’ এর ওপর পড়াশোনার ফলে এই ধারণাটি পান বলে জানান সাইতো। তিনি বলেন, যন্ত্রবিদ্যার ওপর পড়াশোনা করার সময় আমি ভাবলাম ব্যবহার শেষে পরিবহন যন্ত্রকে আমরা যদি ব্যাগে সংরক্ষণ করতে পারতাম! আমার বন্ধু তখন পরামর্শ দিল এমন একটা যন্ত্র বানিয়ে ফেলতে।

আবিষ্কৃত ছোট গাড়িটি সেগওয়ে কিংবা টয়োটা উইংলেট এর মতো ভারি গাড়িগুলোকে অতিক্রম করা যাবে বলে সাইতোর বিশ্বাস।

তিনি এও ভাবছেন, সবসময় আমেরিকা নতুন পণ্য আবিষ্কার করে এবং জাপান পুনরায় সংস্কারের মাধ্যমে তার উন্নয়ন সাধন করে। কিন্তু এবার বিশ্বকে দেখানো যাবে জাপানেরও রয়েছে উদ্ভাবনী ক্ষমতা।

সাইতো জানান, ভবিষ্যতের এই গাড়িটির মূল্য হবে জাপানী মুদ্রায় প্রায় এক লক্ষ ইয়েন, অর্থাৎ ৮০০ মার্কিন ডলার। চলতিবছরের শরৎ কাল থেকেই কিকস্টারটার ওয়েবসাইটে গাড়িটি কিনতে পাওয়া যাবে। আগামী বছরের বসন্তকাল থেকে এই গাড়ি রপ্তানি করা হবে।