মেইন ম্যেনু

শুধু অতিথি নয়, ওরা পরিযায়ী পাখি

একটু উষ্ণতার খুজে সুদুর সাইবেরিয়া থেকে আসা পাখিরা শুধুই অতিথি নয়, ওরা পরিযায়ী। বছরের খুব কম সমই এরা এদের দেশে থাকে । ওরা বিভিন্ন দেশে শুধু অতিথি হয়েই থাকে না, সেখানে ডিম পারে এবং বাচ্চা ফোঁটা পর্যন্ত অপেক্ষা করে । নিবিড় এক গবেষণায় দেখা গেছে এরা শুধু অতিথি নয়। যেখানে যায় নিজের করেই থাকে ওরা। তাই ওরা পরিযায়ী পাখি । সারা বিশ্বে ৯ ও ১০ মে বিশ্ব পরিযায়ী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, “পরিযায়ী পাখি শিকার, নিধন ও পাচার বন্ধ করুন”। সারা বিশ্বে এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখেই বিশ্ব পরিযায়ী দিবস ২০১৬ পালন করা হয় । পরিযায়ী পাখিদের সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা বাড়াতে ২০০৬ সাল থেকে এই দিবস পালন শুরু করা হয়। ইউনিসেফের উদ্যোগে প্রথম এই দিবস পালন শুরু হয় । ২০০৮ সালে এ দিবসের শ্লোগান ছিল “পরিযায়ী পাখি: জীব বৈচিত্রের দূত”।

বাংলাদেশে মূলত হাওড় অঞ্চলে পরিযায়ী পাখির সমাগম হয় বেশি । এ ছাড়া উপকূলেও পরিযায়ী পাখির ভিড় হয় । বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের শুমারি অনুযায়ী, এই বছর লক্ষাদিক ও গত তিন বছর পরিযায়ী পাখির সংখ্যা ছিল গড় প্রায় ৮৫ হাজার । তিন বছর ধরে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা বাড়ছে।

বিশেষ করে টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর এলাকায় পাখি আসা বেড়েছে। সারা বিশ্বে এক হাজারের (১০০০) অধিক প্রজাতির পাখি রয়েছে । তাঁর মধ্যে বছরের বিভিন্ন সময় ভিন্ন প্রজাতির পাখি বিভিন্ন দেশে যায় । প্রতি বছর বাংলাদেশে প্রায় পাঁচশ (৫০০) থেকে ছয়শত (৬০০) প্রজাতির পরিযায়ী পাখি আসে।