মেইন ম্যেনু

শেষ নিঃশ্বাস থাকা পর্যন্ত ফরিদপুরবাসীর উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাব

আমার কাজই হলো ফরিদপুরের উন্নয়ন করা আর তার জন্য যা যা করা দরকার তাই করে যাব, আমার উন্নয়নের এই গতিপথকে কোন ভাবে থামানো যাবে না বলে জানালেন বাংলাদেশ সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন। তিনি আরো জানান, আমার বিরুদ্ধে একটি জমির কেনার ব্যাপারে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে এই ষড়যন্ত্র থেকে আপনাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। কারন আমি বাজার মূল্যের থেকে অনেক বেশী দামে সেই জমি ক্রয় করেছি স্বচ্ছ ভাবে প্রকৃত মালিকের কাছ থেকে তারপড়েও সেটা নিয়ে মিথ্যা প্রপাগন্ডা ছড়ানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার সকাল ১০টায় ফরিদপুরের অম্বিকা মেমোরিয়াল হলে ফরিদপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য “ফরিদপুরের উন্নয়ন” শীর্ষক সরাসরি ফোনালাপ ও মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন। এর মধ্যে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের নিহতদের উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সবার প্রশ্ন শুনে ধর্য্য ধরে পরে প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিতে গিয়ে বলেন, ফরিদপুরে দীর্ঘ দিনের দাবি প্রশ্নও এসেছে একটি পুনাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের আমি তা করে দিব। ফরিদপুর ভাঙ্গা হাইওয়ের পাশে ৯০০ একর জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে যা এখন অর্থনৈতিক উন্নয়ন জোন করা হবে। এছাড়া কুমার নদকে ১৭৫কোটি টাকা ব্যায়ে তার হারানো যৌবন ফিরেয়ে দেওয়া হবে খুব দ্রুতই যা এর মধ্যেই একনেকে পাশ হয়ে গেছে। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ফরিদপুরের হাসপাতালের সিট সংখ্যা যা আছে তা আরো বৃদ্ধি করা হবে বিশেষ করে সদর হাসপাতাল ও ৫০০ বেড হাসপাতালের। গ্রামীন অবকাঠামোর রাস্তা গুলোকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হবে। এর মধ্যে ফোনে এক দর্শক শিবরামপুর পিঠাকুমরা বাজার হইতে বসন্তপুর যাওয়ার রাস্তার উন্নয়নের কথা বললে মন্ত্রী সে গুলো করে দিবেন বলে জানান। রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান ফরিদপুরের আইটি জোন করে দেওয়া হবে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে। ফরিদপুরের সিএন্ডবি ঘাট এলাকায় খুব তারাতারি একটি অভ্যন্তরীন নৌ-বন্দর করা হবে বলে সবাইকে জানান। এছাড়া মন্ত্রী আরো অনেক বিষয়ে তাৎখনিক ভাবে কর্নপাত করেন এবং সেগুলো আগামী তিন বছরের মধ্যে এক এক করে দিবেন বলে জানান। ফরিদপুর চেম্বার অব কমার্সের এই মুক্ত আলোচনায় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডষ্টির মীর নাসির হোসেন, জেলা প্রশাসক সরদার সরাফত আলী, সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মোহ্তেশাম হোসেন বাবর, ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র শেখ মাহতাব আলী মেথু, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সুবুল চন্দ্র সাহা ও চেম্বার অব কর্মাসের সহ সভাপতি ফোরকান আহমেদ খাঁনসহ প্রমুখ।