মেইন ম্যেনু

শেষ হলো শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের অধ্যায়

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত রায় পুনর্বিবেচনায় জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির আদেশ বহাল রাখার মাধ্যমে শীর্ষস্থানীয়দের বিচারের অধ্যায় শেষ হল বলে মন্তব্য করেছেন মামলার প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ।

বৃহস্পতিবার (৫ মে) সাড়ে ১১টার দিকে রায় নিজামীর রিভিউ আবেদন খারিজের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য। এসময় তিনি দ্রুত মতিউর রহমান নিজামীর রায় কার্যকরের প্রত্যাশাও জানান।

তিনি বলেন, ‘একাত্তরে জাতিকে যে মেধাশূন্য করার যে অপচেষ্টা করা হয়েছিল, আজকের রায়ের মাধ্যমে তারা যে যুদ্ধাপরাধী ছিল সেই দায় প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। তিনি আলবদর বাহিনীর প্রধান ছিলেন এটাও প্রমাণিত হয়েছে। আলবদর বাহিনী একাত্তরের ২২ এপ্রিল জামালপুর থেকে যাত্রা শুরু করে সারাদেশে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। এর দায় নিজামীকে নিতে হবে। যদি ব্যক্তি নিজামী হিসেবেও বিচার করা হয়, তবে এ ঘৃণিত অপরাধের দায় তার উপরেই বর্তায়।’

মুক্তিযুদ্ধের বড় বড় অপরাধী রেখে ছোট অপরাধীদের বিচার করা হচ্ছে আসামিপক্ষের এমন কথার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘বড় খুনির বিচার না হলে ছোট খুনির বিচার হবে না। এটা কোথায় আছে আমার জানা নেই। সবার বিচারই হতে হবে। হবেও এটাই স্বাভাবিক। এ ধরনের আর্গুমেন্ট কোনোভাবেই মেনে নেয়া যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘এখন আমরা অপেক্ষা করছি পূর্ণাঙ্গ রায় ঘোষণার। পূর্ণাংঙ্গ রায় আসার পর নিজামী সাহেব সিদ্ধান্ত নেবেন, রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইবেন কি না। এরপর অতীতের মামলায় যে রকম দেখেছি সেরকমভাবেই আশা করছি তার সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর হবে।’



« (পূর্বের সংবাদ)