মেইন ম্যেনু

শোলাকিয়ায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত

শটগানের গুলি ছুড়ে প্রতিবছরের মতো কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত। বৃষ্টি উপেক্ষা করে দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মুসল্লি ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করেন।

১৮৮তম ঈদুল ফিতরের ঈদের এই জামাতটি অনুষ্ঠিত হয় সকাল ১০টায়। বৃহত্তম এ ঈদের জামাতে ইমামতি করেন ইসলাহুল মুসলিমিন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা মো. ফরিদ উদ্দিন মাসউদ।

এদিকে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও একটি বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় কিশোরগঞ্জ এসভি সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে। এখানে ইমামতি করেন মাওলানা মোহাম্মদ ছানাউল্লাহ। এ ছাড়া ঐতিহ্যবাহী শহরের শহীদী মসজিদেও সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দূরদূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের অংশগ্রহণের সুবিধার্থে সরকারিভাবে ‘শোলাকিয়া স্পেশাল’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল।

এর আগে সুষ্ঠুভাবে জামাত অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে গত ৫ জুলাই একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রস্তুতিমূলক কর্মকাণ্ড চলে। ঈদগাহ ময়দানজুড়ে কাতারের লাইন টানা, মাঠ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নকরণ ও ধোয়ামোছার কাজ করা হয়। মাঠে পানি সরবরাহ, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়নসহ মুসল্লিদের নামাজ পড়ার উপযোগী করে তোলার জন্য নেওয়া হয়েছিল সব ধরনের প্রস্তুতি। নেওয়া হয়েছিল পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন খান জানান, শোলাকিয়ার ঈদ জামাত উপলক্ষে মাঠ ও এর আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্তসংখ্যক ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা বসানো হয়। প্রবেশদ্বারে বসানো হয় আর্চওয়ে। এ ছাড়া জামাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের ক্যাম্প বসানো হয় এবং সাদাপোশাকে পুলিশের গোয়েন্দা দল মোতায়েন করা হয় ঈদগাহ এলাকায়।

উল্লেখ্য, এ মাঠের রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর ৫ মিনিট, ৩ মিনিট ও ১ মিনিট আগে নামাজের প্রস্তুতি হিসেবে শটগানের গুলি ছোড়া হয়।