মেইন ম্যেনু

শ্বশুর-শাশুড়ি-শ্যালকসহ ৭ জনকে পেটালো জামাই

সংবাদ পাওয়া গিয়েছিল মেয়েকে আটকে রেখে নির্যাতন করছে জামাই। এ খবর শুনে শ্বশুর-শাশুড়ি-শ্যালকরা পড়িমরি করে ছুটে যান জামাইবাড়ি। কিন্তু মেয়েকে উদ্ধার তো দূরের কথা উল্টো জামাই তেড়ে এলেন তাদের দিকে। ধারালো অস্ত্র আর লোহার রড দিয়ে নির্দয়ভাবে পেটালেন শ্বশুর-শাশুড়ি-শ্যালকসহ ৭ জনকে।

সোমাবার বিকেলে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার শিবপুর পাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারী জামাইয়ের নাম আমজাদ হোসেন। তিনি শিবপুর গ্রামের বাসিন্দা।
আহতরা হলেন- আমজাদের শাশুড়ি সমর্থন বানু (৪৫), শ্যালক সেলিম রেজা (৩০) ও নজরুল ইসলাম (২৫), মামা শ্বশুর ফিরোজ কবির (৪১) ও রোকন উদ্দিন (৪১)। এরা সবাই চারঘাট উপজেলার পুঠিয়ার বেলপুকুর এলাকার বাসিন্দা। তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত নজরুল জানান, তার বোন নূর মহলের সঙ্গে বেশি কিছুদিন আগে আমজাদ হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নানা কারণে বোনকে নির্যাতন করে আসতো তার স্বামী।
নির্যাতন বন্ধ করতে এক পর্যায়ে নূর মহলের বাবা নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে জামাই আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলার পরেই চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন জামাই।

নজরুল আরো জানান, আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আদালতে শুনানির দিন ধার্য আছে। কিন্তু তার আগের দিনই আমজেদ হোসেন তার বোনকে পিটিয়ে আহত করে। পরে ঘরে বন্দি করে রাখে। লোক মারফত এ খবর শুনে বোনকে উদ্ধারের জন্য মা, ভাই আর মামাসহ সাতজন মিলে আমজাদের বাড়ি যাই। এসময় তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আমজেদ আর তার লোকজন লোহার রড় ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তারা সবাইকে কুপিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় রামেক হাসপাতালে ভর্তি হই।
এব্যাপারে চারঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মন জানান, এ বিষয়ে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।.