মেইন ম্যেনু

‘শয়তান বন্দী রাখার মাসে লতিফকে ছেড়ে দিল সরকার’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি জান্নাতুল ইসলাম বলেছেন, “মুসলিম বিশ্বে ধর্মপ্রাণ মুসলমান যখন পবিত্র রজমানের সিয়াম সাধনা এবং আল্লাহর এবাদত-বন্দেগিতে মশগুল রয়েছেন তখন একজন খোদাদ্রোহীকে (লতিফ সিদ্দিকী) ডজন ডজন মামলা থেকে জামিন দিয়ে মুসলমানদের ঈমান ও বিশ্বাসের সঙ্গে তামাশা করেছে সরকার।”

শুক্রবার বাদ জুমা চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের উত্তর গেইটে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জান্নাতুল ইসলাম বলেন, “স্বঘোষিত ধর্মদ্রোহী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে জামিন দেয়ার ঘটনায় প্রমাণিত হয় এ সরকার নাস্তিক, ধর্মদ্রোহী ও নবী-রাসুল বিদ্বেষীদের মদদদাতা।”

সমাবেশে দুর্বার গণআন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “পবিত্র এ রজমান মাসে আল্লাহ শয়তানদেরকে শিকল বন্দী করে রাখেন। অথচ সরকার একজন আত্মস্বীকৃত খোদাদ্রোহীকে মুক্তি দিয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় এ সরকার শয়তানদের সহযোগী, নাস্তিক-মুরতাদদের পৃষ্ঠপোষক এবং তাদের মদদদাতা।”

ইসলামী আন্দোলনের এ শীর্ষনেতা বলেন, “পবিত্র রমজান বদর যুদ্ধের মাস। এ মাসে কোনো নাস্তিক-মুরতাদ এবং তাদের সহযোগী বেঈমানদের রক্ষা হবে না। অবিলম্বে মুরতাদ লতিফকে গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা না করলে বদর যুদ্ধের চেতনায় সারা দেশে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর নেতাদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, সহসভাপতি আবুল কাশেম মাতব্বর, অধ্যাপক মাওলানা রফীকুল আলম, ডা. রেজাউল করীম, আবদুর রহীম মোল্লা, আবদুল হান্নান শানু, মু. সগির আহমদ চৌধুরী, সঙ্গীতশিল্পী আসহাব উদ্দীন আল-আযাদ, মাওলানা তরীকুল ইসলাম সরকার, ছাত্রনেতা তাজুল ইসলাম শাহীন, মাওলানা হাফেজ আনোয়ার, মাওলানা ইবরাহীম, আবু তাহের সাওদাগর, মুহাম্মদ আবদুর রহীম, মীর আহমদ, আলহাজ শাহজাহান ও সাবেক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ ইবরাহীম প্রমুখ।

এ দিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলে হেফাজতে ইসলামের চট্টগ্রাম মহানগর নেতারা সংহতি প্রকাশ করেছেন। কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজীজুল হক ইসলামাবাদী ও মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা মুইনউদ্দীন রুহী সমাবেশ চলাকালে ইসলামী আন্দোলনের ব্যানারে এসে এই সংহতি প্রকাশ করেন।

পরে একই স্থানে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি থাকায় ইসলামী আন্দোলন নেতৃবৃন্দ তাদের দলীয় কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করে বিশাল মিছিল নিয়ে লালদিঘি হয়ে নিউমার্কেটে গিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করেন।